ইমদাদুল হক মিলন : জন্মদিনের শুভেচ্ছাঞ্জলি

প্রকাশিত: ১:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২০

আবদুল্লাহ আল মোহন
১.
কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, সমকালের বাংলা সাহিত্যের একজন লব্ধপ্রতিষ্ঠ ও জনপ্রিয় লেখক। তাঁর রয়েছে একাধিক শিল্পোত্তীর্ণ গল্প-উপন্যাস। তিনি ১৯৫৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বিক্রমপুরের লৌহজং থানার মেদিনীমণ্ডল গ্রামের নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। আজ ইমদাদুল হক মিলনের বাষট্টিতম জন্মবার্ষিকী। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলনের, প্রিয় মিলন ভাইয়ের জন্মদিনে তাঁকে জানাই ফুলেল শুভেচ্ছা, আন্তরিক অভিনন্দন। মনে পড়ছে খুব, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দিনগুলিতে মিলন ভাইকে একান্ত আড্ডায়, আলাপনে কাছে পেয়েছি, তাঁর সান্নিধ্যে ঋদ্ধ হয়েছি। আরো অনেক আসরে চমৎকার সব স্মৃতি রয়েছে তাঁর সাথে। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে লিখতে গিয়ে সে সবও মনে ভাসছে, বড্ড নস্টালজিক করে তুলছে।
২.
চারদশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন লিখেছেন অসংখ্য উপন্যাস, গল্প ও নাটক। বাংলায় লেখালেখিকেই শুধুমাত্র পেশা হিসাবে বেছে নেয়ার সাহস তিনি দেখিয়েছেন। লেখালেখির পাশাপাশি এখন তিনি বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। পুরনো ঢাকার জীবন থেকে কিছু না ভেবেই অনেকটা হটাৎ করেই লেখালেখি শুরু করেছিলেন তিনি। এক সময় পাঠকদের উদ্দেশ্য করে লিখলেও, পরবর্তীতে তাঁর নিজস্ব একটি ধারা তৈরি করে নিয়েছেন।
৩.
কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার ইমদাদুল হক মিলনের পৈতৃক নিবাস মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুরের লৌহজং থানার পয়সা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম গিয়াসুদ্দিন খান এবং মার নাম আনোয়ারা বেগম। তিনি ১৯৭২ সালে পুরনো ঢাকারগেন্ডারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৪ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৭৯ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকেই স্নাতক (সম্মান) সম্পূর্ণ করেন। তিনি গল্প, উপন্যাস এবং নাটক এই তিন শাখাতেই জনপ্রিয় রচনা উপহার দিয়েছেন। কিশোর বাংলা পত্রিকায় শিশুতোষ গল্প লিখে তার সাহিত্যজগতে আত্মপ্রকাশ। ১৯৭৭ খৃস্টাব্দে সাপ্তাহিক বিচিত্রা পত্রিকায় ‘সজনী’ নামে একটি ছোট গল্প লিখে পাঠকের দৃষ্টি আর্কষণ করতে শুরু করেন।‘নূরজাহান’ উপন্যাস দিয়ে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে যাওয়া এই লেখকের লেখকখ্যাতি বর্তমানে দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশের পাঠকের হৃদয়েও স্থান করে নিয়েছে। সাহিত্যবোদ্ধাদের কেউ কেউ তার উপন্যাস ‘নূরজাহান’সহ অন্যান্য রচনাকে এরই মধ্যে ধ্রুপদি সাহিত্যের মর্যাদায় ভূষিত করেছেন।
৪.
সেই ১৯৭৩ সালে লেখালেখি শুরু করেছিলেন। গত বিয়াল্লিশ বছর ধরে লেখালেখি করে যাচ্ছেন। তবে তার মাঝখানে বিদেশে গেছেন জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে কাজের সন্ধানে, দেশে নানারকম কাজ করার চেষ্টাও করেছেন। ব্যবসা করার চেষ্টা করেছিলেন। সর্বত্র এক ধরনের ব্যর্থতা প্রবলভাবে গ্রাস করেছিল তাঁকে। তারপরও চেষ্টা করেছিলেন যেটা, সেটা হচ্ছে লেখা থেকে কখনও সরে যাওয়া। এই জায়গাটার মধ্যে সব সময় থাকার চেষ্টা করেছিলেন। ষাটতম জন্মদিনের এই দিনটিতে এরকমই একটা অনুভূতি প্রকাশ করেছেন মিলন ভাই। ষাট বছরে এসে নিজের সৃষ্টিকর্মকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে মিলন ভাই জানান, ‘এখন নিজের লেখালেখির মূল্যায়ন করার ইচ্ছা বা আগ্রহ আমার নেই। যদি আমি সামান্যতম লিখে থাকতে পারি সেটা মূল্যায়ন করবে পাঠক। গল্প দিয়ে শুরু করেছিলাম কারণ ছেলেবেলায় আমি নানীর মুখে গল্প শুনে শুনে বড় হয়েছি। আমার মনে কাব্যভাবনাটা ঠিক কখনো আসেনি। কাহিনি বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলার প্রবণতা চলে এসেছে। এ কারণে আমি গল্প দিয়ে শুরু করেছিলাম। কবিতার কথা আমি কখনো ভাবিনি, বা অন্য কোনো কিছু লেখার কথা ভাবিনি। কাহিনির প্রতি বা ঘটনার প্রতি আমার একটা দুর্বলতা ছিল। যেটা গল্প লেখার ক্ষেত্রে কাজে লাগত, পরবর্তী সময়ে উপন্যাস লেখার ক্ষেত্রে কাজে লাগে।’
৫.
ইমদাদুল হক মিলন তাঁর লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯২ সালে লাভ করেছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার। এছাড়া হুমায়ুন কাদির সাহিত্য পুরস্কার, এস এম সুলতান পদক, ঢাকা যুব ফাউন্ডেশন পদক, শেরেবাংলা পদক, টেনাশিনাস পুরস্কার, জাপান বিবেক সাহিত্য পুরস্কার, কলকাতা চোখ সাহিত্য পুরস্কার, জাপান রাইটার্স অ্যাওয়ার্ড, মাদার তেরেসা পদক, বাচসাস পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার ও পদকে ভূষিত হয়েছেন তিনি। নূরজাহান উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন ভারতের আইআইপিএম-সুরমা চৌধুরী স্মৃতি আন্তর্জাতিক পুরস্কার। এছাড়া ২০০৫ সালে জাপান ফাউন্ডেশন আয়োজিত তাকেশি কায়েকো মেমোরিয়াল এশিয়ান রাইটার্স লেকচার সিরিজে বাংলা ভাষার একমাত্র সাহিত্যিক হিসেবে মনোনীত হন তিনি।
৬.
কথাসাহিত্যের পাশাপাশি নাট্যকার হিসেবেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন ইমদাদুল হক মিলন। সাংবাদিকতায়ও তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। সাহিত্যাঙ্গনে তাঁর হাতেখড়ি ১৯৭৩ সালে ‘বন্ধু’ নামের ছোটগল্পের মাধ্যমে। তখন তিনি উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র। এরপর ১৯৭৬ সালে প্রথম উপন্যাস ‘যাবজ্জীবন’ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পত্রিকা ‘উত্তরাধিকার’-এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রথম উপন্যাসই পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। জার্মানিতে প্রবাসী জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁর রচিত ‘পরাধীনতা’ও বেশ আলোচিত হয়। প্রথম গ্রন্থ ‘ভালবাসার গল্প’ (১৯৭৭) প্রকাশমাত্রই তিনি বিপুলভাবে সংবর্ধিত ও পাঠকপ্রিয় হয়ে ওঠেন। লেখক-সমালোচক ও সাহিত্যবোদ্ধাদের মতে, গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবনযাপনের শিল্পিত রূপকার ইমদাদুল হক মিলন। ‘কালাকাল’, ‘কালো ঘোড়া’, ‘পরাধীনতা’, ‘নূরজাহান’, ‘নিরন্নের কাল’, ‘জোয়ারের দিন’, ‘বদ্যি বুড়োর জীবনকথা’ প্রভৃতি উপন্যাস ও ছোটগল্প গ্রন্থে তিনি বিশাল ক্যানভাসে তুলে ধরেছেন এ অঞ্চলের যাপিত জীবন, গ্রামীণ জনপদের আনন্দ-বেদনার অন্তর্নিহিত চিত্র।
৭.
বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় এই লেখক দীর্ঘদিন সৃজনশীলতার কঠিন পথ পরিভ্রমণ করছেন। তার রয়েছে একাধিক শিল্পোত্তীর্ণ উপন্যাস। জনপ্রিয় বলেই কখনও কখনও তিনি সিরিয়াস গ্রন্থের পাঠকদের কাছে উপেক্ষিত হয়েছেন; সমালোচকের কাছে থেকেছেন অনুচ্চার্য। অনেকদিন ধরে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’য় সবচেয়ে বেশি বিক্রীত গ্রন্থের তালিকায় রয়েছে তার একাধিক গ্রন্থ। ‘বাঁকা জল’, ‘ভূমিকা’, ‘নদী উপাখ্যান’, ‘কালোঘোড়া’, ‘ভূমিপুত্র’, ‘রূপনগর’, ‘কালাকাল’, ‘টোপ’, ‘এক দেশে’, ‘বনমানুষ’, ‘যাবজ্জীবন’, ‘পরাধীনতা’ ইমদাদুল হক মিলনের এই উপন্যাসগুলোর বিষয় বিচিত্র- মুক্তিযুদ্ধ, প্রবাসী শ্রমিক, কখনও গ্রামের ভেসে বেড়ানো অসহায় বালক অথবা পুরো একটা গ্রামই উপন্যাসের নায়ক। পাত্র-পাত্রীর পেশা ও চরিত্র রূপায়নেও বৈচিত্র্য রয়েছে। দিনমজুর বেলদার অথবা গ্রাম্য বাজারের ভাসমান নিম্নবর্গ, সার্কাসের জোকার, নদী ভাঙা মানুষ, পতিতাবৃত্তির হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করা কিশোরী পারুল যে শেষ পর্যন্ত জীবনের বিনিময়ে নিজেকে রক্ষা করে (‘টোপ’)- এরকম আরও অনেক চরিত্রের জীবন্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মূলত ইমদাদুল হক মিলনের লেখক জীবনের বাছাই করা এ উপন্যাসগুলো নানাস্তরের গ্রামীণ মানুষের জীবনযাপনের চিত্র হিসেবে বিশিষ্ট। জীবনের অনুভূতি ও উপলব্ধির ভাষা পাঠকের নিজস্ব সম্পদ করে তুলেছেন তিনি। মামুলি কথার আখ্যান থেকে তিনি নিজেকে প্রসারিত করেছেন সমাজ-রাজনীতির সংকটের গভীরে। ‘নূরজাহানে’র (তিন খণ্ড) মতো বৃহৎ উপন্যাস লিখে লেখনি ক্ষমতা ও মেধার পরিচয় ব্যক্ত করেছেন।
৮.
নিজের বড় হয়ে ওঠার স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি এভাবে, ‘আমি জন্মেছিলাম আমার নানা বাড়িতে, সেটা বিক্রমপুরের মেদিনীমণ্ডল নামের একটি গ্রামে, আমি নানীর কাছে বার বছর পর্যন্ত থেকেছি আমরা অনেকগুলো ভাই-বোন, এগারোটা ভাই-বোন ছিলাম আমরা। তার মধ্যে একজন খুব অল্প বয়সে মারা গেল। আবার একজন আটচল্লিশ বছরে মারা গেল। তো আমরা এখন নয় ভাই-বোন। বাবা মারা গেলেন উনিশশ’ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়, মা মারা গেলেন ২০০৫ সালে। আব্বা মারা যাওয়ার পর এতগুলো সন্তান নিয়ে আমার মা যে সংকটে পড়েছিলেন; জীবনকে আবার দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছিলেন সেটি আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়। একজন মহিলা তার হাতে দশটি টাকাও ছিল না। বাবার বাড়িতে সম্পদ যে টুকু পেয়েছিলেন সেগুলো বিক্রি করে ছেলে-মেয়েদের দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন। সেটা একটা আমার কাছে বড়। মানে আমার মায়ের সততা আমার কাছে বিশাল ব্যাপার মনে হয়। কারণ আব্বা যখন মারা গেলেন আব্বার মারা যাওয়ার ঘটনাটা খুব অদ্ভুত ধরনের। আব্বার মারা যাওয়ার পরে আমার মনে হয় এখানে একটা গড গিফটেড ঘটনা বলা দরকার। আমার বাবা সামান্য কেরানির চাকরি করতেন। এতগুলো সন্তান নিয়ে সংসার যাপন করা খুব মুশকিল। তারপরও একটা সময় যখন আব্বা দেখছেন আমরা ছোট ছোট তখনও তিনি অফিসে যাচ্ছেন। কাজ করছেন। তিনি তার সন্তানগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন। এ পরিস্থিতিতে আমাদের পাড়ার রাজাকারদের কেউ একজন এরকম কথা রটালো যে, এই ভদ্রলোক মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। সেই সময় মিলিশিয়ারা এসে আমার বাবাকে খুব হুমকি-ধমকি করেছেন এবং এর মধ্যে একজন কাবুলিওয়ালাও ছিল। যার কাছ থেকে বাবা এক সময় টাকা ধার নিয়েছিলেন। কাবুলিওয়ালারা তখন সুদে টাকা ধার দিত। আসল টাকা শোধ করে দিয়েছিলেন। সুদের টাকার জন্য কাবুলিটা আসত। সেই লোকটা মিলিশিয়াদের সঙ্গে আমাদের বাড়িতে আসে, আব্বা সেই সময় বাড়ি ছিলেন না। পরে বাড়ি ফিরে এ কথা শোনার পর থেকে তার মধ্যে অস্থিরতা শুরু হয়। সেই রাতেই তিনি হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান। এটাকে আমি মনে করি আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের চাপে মারা যান। যাই হোক, এ ঘটনা আমি সর্বত্র বলতে চাই না। তবে আজকে লুকাবারও কিছু নেই। তারপর থেকে আমাদের মা আমাদের নিয়ে যে যুদ্ধটা করেছেন এটা আমার কাছে খুব ভয়ঙ্কর মনে হয়। ছেলেবেলার দিনগুলো কেটেছে নানীর কাছে। তারপর একটু বড় হওয়ার পরে দিনগুলো কেটেছে ঢাকা। এইভাবে আমার জীবনটা শুরু হয়েছিল।’
৯.
তাঁর স্কুল ও প্রথম জীবনের গল্প বলছেন তিনি এভাবে, ‘মানুষের জীবন যে একচেটিয়া সুখের বা একচেটিয়া দুঃখের নয় বিষয়টা তেমনই। দুঃখটা মানুষের কীরকম হয়তো অভাব-অনটন লেখাপড়া করতে না পারা এরকম নানা দুঃখ বোধের মধ্য দিয়ে মানুষের আনন্দঘন জীবন কাটে। সে রকম প্রচুর আনন্দের জীবন আমি কাটিয়েছি। নানারকম অভাব-অনটনের মধ্যে দিয়ে ছোটবেলা ভালো সময়ও কেটেছে। অনেক অনেক আনন্দের দিনও গেছে। কিন্তু তার মধ্যে আমি আমার চারপাশে সাধারণ কিছু মানুষ পেয়েছি, যেমন আমার নানীর কাছে আমি বড় হয়েছি। আমার এখনও পর্যন্ত মনে হয় যে, এরকম হৃদয়বতী মানুষ আমি আর দেখিনি। এরকম হৃদয়বতী নারী আমি আর দেখিনি। আমি আমার নানীর কথা লিখেছি আমার ‘কেমন আছ, সুবজপাতা’ উপন্যাসে। সে উপন্যাসে প্রকৃত অর্থে আমার ছেলেবেলার কথা আছে। আমার ‘বাঁকাজল’ বলে একটা উপন্যাস আছে সেখানেও আমি আবার ছেলেবেলার কথা লিখেছি। আমার ‘বন্ধু বান্ধব’ বলে একটা উপন্যাস আছে সেখানে আমার কৈশোর বয়স থেকে শুরু করে যৌবন বয়সে যুবক হয়ে ওঠার সময় বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে যে ঘটনা ওটাও আমার একটা জীবনী। এই লেখাগুলোর মাঝে আমার জীবনের কথা লেখা আছে। এগুলো নিয়ে আমি বিস্তারিত বলতে চাই না। কারো যদি বিশেষ কোনো আগ্রহ থাকে তাহলে এই বইগুলো পড়ে নিলে তারা আমার সম্পর্কে জানতে পারবেন।’
১০.
কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনের, প্রিয় মিলন ভাইয়ের জন্মদিনে আবারো তাঁকে জানাই অভিনন্দন, নিরন্তর শুভ কামনা। তাঁর দীর্ঘায়ু এবং আনন্দময় সুস্থ জীবন কামনা করছি। (তথ্যসূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক কালের কণ্ঠ, দৈনিক যুগান্তর, ইন্টারনেট)

আবদুল্লাহ আল মোহন- সহকারী অধ্যাপক ভাসানটেক সরকারী কলেজ।
৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ / ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬/ ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭/ ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮/ ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

এই সংবাদটি 54 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ