প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেধা, প্রজ্ঞা এবং তাঁর উন্নয়ন কর্মকান্ডের প্রশংসা করছেন বিশ্বনেতৃবৃন্দ — আলহাজ্ব নুরুল হুদা মুকুট

প্রকাশিত: ৩:১৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ নুরুল হুদা মুকুট বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর মতো নেতার জন্ম না হলে পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের কবল থেকে মুক্ত হয়ে আমরা স্বাধীন ভূখন্ডে স্বাধীন সার্বভৌমত্ব বাঙ্গালী জাতি হিসেবে বিশে^ পরিচিত হতে পারতাম না। আর আজকে তাঁর কন্যা দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে পর পর তিনবার এবং এর আগে ১৯৯৬সালে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় এসে দেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছেন। আজ বিশ^ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর এই মেধা ও প্রজ্ঞার প্রসংশা করে তাঁর উন্নয়ন কর্মকান্ডকে অনুসরণ ও অনুকরণ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে মুকুট আরো বলেন আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা বেঁচেঁ থাকলে বাংলাদেশ বিশে^ একদিন বীরের জাতি হিসেবে মাথা উচুঁ করে দাড়াঁবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে গতকাল সোমবার দুপুর ১টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে কেক কাটা ও দোয়া মাহফিলপূর্ব আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ নুরুল হুদা মুকুট এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরোও বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী ও কিছু বিপথগামী সেনা অফিসারের লোভ লালসার কারণে ১৫ই আগষ্ট জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্যে দিয়ে এই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রাযাত্রাকে রুখে দেয়ার চিন্তার অংশ হিসেবেই তৎকালীন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান বন্দুকের নলে ক্ষমত্য়া এসে ইনডেমনিটি নামে একটি কালো আইন সংসদে পাশ করেন জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার রুদ্ধ করে বিচার কার্য পরিচালনা না করেই বরং খুনিদের বিদেশী বিভিন্ন দূতবাসে চাকুরী দিয়ে পুরস্কৃত করেন। তিনি আরো বলেন, শত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করেন ১৯৮২ সালে জনগণের শক্তি নিয়ে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মাঠিতে পা রাখতে গেলেও তৎকালীন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান তাকে দেশের ভেতরে ঢুকতে দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি দেশে আসার পর ও তাঁদের স্মৃতি বিজড়িত ধানমন্ডির সেই ৩২নং বাড়িতে ঢুকতে দেয়া হয়নি। বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামীলীগের জনসভায় শেখ হাসিনাকে প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে শক্তিশালী গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ঐদিনের বিভিষিকাময় ঘটনায় শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪জন নেতাকর্মীকে জীবন দিতে হয়েছিল। তিনি বলেন এছাড়াও শেখ হাসিনার উপর চট্রগ্রামের লালদিঘী ময়দানে গ্রেনেড হামলাসহ অসংখ্যবার হামলা চালানো হয়েছিল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন-জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) সৈয়দা শমশাদ বেগম, বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আমজদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি এড. মোঃ রইছ উদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. মোঃ আব্দুল করিম, আওয়ামীলীগ নেতা এড. পীর মতিউর রহমান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আবুল কালাম, সুনামগঞ্জ পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও জেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য নুরুল ইসলাম বজলু, সিনিয়র সদস্য সবুজ কান্তি দাস,সদর যুবলীগের সভাপতি এহসান আহমদ উজ্জল, জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি লিখন আহমেদ, সহ সহসভাপতি কাউসার আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক জুনায়েদ আহমদ, জেলা ছাত্রলীগ নেতা সাগর আহমদ ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী মিলটন পুরকায়স্থ প্রমুখ।
পরিশেষে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ূ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া পরিচালনা করেন দোজা মার্কেট মসজিদের ইমাম আতাউর রহমান লস্কর।

এই সংবাদটি 15 বার পঠিত হয়েছে