ধর্ষণ, নির্যাতনের অনেক ঘটনাই আড়ালে থেকে যায়: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত: ১:৩৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০২০

 

সু:ডাক ডেস্ক:

নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটলে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার ভয়ে অনেকে তা প্রকাশ করে না বলে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ জন্য অনেক ঘটনাই আড়ালে থেকে যায় বলে তিনি মনে করেন। এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধের বিষয় গোপন না রেখে অপরাধীদের শাস্তি প্রদানের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সময়মতো জানানোর অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি আরও বলেন, ঘৃণ্য অপরাধীদের যারা আশ্রয় প্রশ্রয় দেবে, তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে। প্রতিটি ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে, কোনো অপরাধীই রক্ষা পাবে না।
নোয়াখালীর ঘটনাসহ প্রতিটি ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, কোনো আন্দোলনের আগেই সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। অপরাধ ও ঘৃণ্য অপকর্মের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান সব সময়ই স্পষ্ট এবং কঠোর।ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করেন, বিএনপি এসব ঘটনাকে অন্যদিকে ঘোরানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। যখনই কোনো ইস্যু পায়, তা খড়কুটোর মতো আঁকড়ে ধরে সরকারবিরোধী আন্দোলনের অপপ্রয়াস চালায় তারা।সরকার নয়, আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থতার দায়ে বিএনপির ‘টপ টু বটম’ পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের চরম ব্যর্থতায় কর্মীরা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন। কখনো ঈদের পর, কখনো বর্ষার পর, আবার কখনো এসএসসি পরীক্ষার পর আন্দোলনের কথা বলে। কত ঈদ গেল, পরীক্ষা গেল, বর্ষা গেল কিন্তু বিএনপির আন্দোলনের মরা গাঙে জোয়ার আসে না। তাদের আন্দোলন মুখে মুখে, প্রেস বিফিংয়ে আর ফেসবুক স্ট্যাটাসে সীমাবদ্ধ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর হত্যা, সন্ত্রাস, নারী নির্যাতন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভয়ারণ্য তৈরি করেছিল। হাজারো নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিল, কেউই বিচার পায়নি। বিচারের বাণী তখন নিভৃতে কেঁদেছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন ওই সময় একাত্তরের পাকিস্তানি হানাদারদের নির্যাতনকেও হার মানিয়েছিল।

 

এই সংবাদটি 6 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ