রােববার থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে মাধবকুণ্ড-লাউয়াছড়া

প্রকাশিত: ২:৩৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০২০

সু: ডাকডেস্ক : সিলেটের অন্যতম আর্কষণীয় দুটি স্থান লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত রােববার থকেে র্পযটকদরে জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছ। করােনা সংক্রমণে কারণে প্রায় ৭ মাস বন্ধ ছিলো এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এ দুটি স্থান।

স্বাস্থ্যবধিি মেনে র্পযটকরা লাউয়াছড়া ও মাধবকুণ্ডে ওই দিন থেকে যতে পারবেন বলে ট্যুরিস্ট পুলিশ মৌলভীবাজার জােন জানয়িছে।

এদিকে  বন বিভাগ সূত্র জানা গেছে মৌলভীবাজার জেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুণ্ড ইকোর্পাকসহ বন বভিাগরে নয়িন্ত্রণাধীন সকল র্দশনীয় স্থান ও ইকোর্পাক রোববার থকেে র্পযটকদরে খুলে দয়ো হচ্ছ।ে স্বাস্থ্যবধিি মনেে সামাজকি দূরত্ব বজায় রখেে র্দশর্নাথীগণকে প্রবশে করার জন্য র্পযটন সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানয়িছেে তারা।

মৌলভীবাজাররে কমলগঞ্জে ১২৫০ হক্টের জমি নয়িে লাউয়াছড়া সংরক্ষতি বনাঞ্চল। ১৯৯৬ সালে এটকিে জাতীয় উদ্যান হসিবেে ঘোষণা করা হয়। উদ্ভদি আর প্রাণী বচৈত্রিরে আঁধার এই বন বভিন্নি বরিল ও বপিন্ন প্রজাতরি প্রাণীর আবাসস্থল হসিবেে পরচিতি। বন বভিাগরে হসিবে মত,ে ২০ প্রজাতরি স্তন্যপায়ী, ৫৯ প্রজাতরি সরীসৃপ (৩৯ প্রজাতরি সাপ, ১৮ প্রজাতরি লজর্িাড, ২ প্রজাতরি কচ্ছপ), ২২ প্রজাতরি উভচর, ২৪৬ প্রজাতরি পাখি ও অসংখ্য কীট-পতঙ্গ রয়ছে।ে

এই বনে বরিল প্রজাতরি উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান, চশমাপড়া হনুমানও দখেতে পাওয়া যায়।

অপরদকি,ে মৌলভীবাজার জলোর বড়লখো উপজলোয় মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদশেরে বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টলিা হতে পাহাড়ি র্ঝনার পততি জলরাশি র্পযটকরে জন্য আর্কষণীয়। এ জলপ্রপাতরে নকিটইে খাসয়িা নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। জলপ্রপাতরে চর্তুদকিে বশিাল বনভূমি অবস্থতি। মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুণ্ডে হন্দিু র্ধমাবলম্বীদরে চত্রৈমাসরে মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তথিতিে বারুনী স্নান হয় এবং মলো বস।ে হন্দিু র্ধমাবলম্বীদরে এটি একটি র্তীথস্থান।

এই সংবাদটি 20 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ