ছয়হারা-ভমভমি বাজারের মধ্যবর্তী ব্রিজটি যেন মরণফাঁঁদ

প্রকাশিত: ৩:৪৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০২০

মোঃ নুরুল হক, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের ডাবর পয়েন্ট থেকে জগন্নাথপুর পর্যন্ত সড়কটি যানবাহন ও জনচলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। প্রতিদিনই এই সড়ক দিয়ে অসংখ্য যানবাহন ও হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে থাকেন। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের ছয়হাড়া ভমভমি বাজারের মধ্যবর্তী ব্রিজটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ব্রিজের এপ্রোচের অনেক জায়গা ধসে পড়ায় কয়েকদিন পরপরই যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জোড়াতালি দিয়ে ঠিক করলেও এর স্থায়িত্ব থাকেনা বেশিদিন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৫ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত যানচলাচল বন্ধ ছিল। কয়েকদিন পরপরই এমন অবস্থা হওয়ায় দুর্ভোগের শেষ নেই যাত্রীদের। এপ্রোচ ধসে পড়ায় যাত্রী নামিয়ে গাড়ি পারাপার করার ফলে মালামাল নিয়েও ঝামেলায় পড়তে হয় মানুষের। বারবার মাটি ধসে গিয়ে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে ব্রিজটি। ফলে যে কোন সময় এখানে ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা।
সরেজমিন গেলে দেখা যায়, এপ্রোচ অনেকটাই ধসে পড়েছে। জোড়াতালি দিয়ে যানচলাচল কিছুটা স্বাভাবিক করা হলেও অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন। গাড়ী চালকসহ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুধু আজই নয় কয়েকদিন পরপরই এখানে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যানচলাচল বন্ধ হলে কষ্টের শেষ থাকে না । তাদের দাবি দ্রুত যেন এর স্থায়ী সমাধান করা করা হয়।
যাত্রী গৌছ মিয়া বলেন, কয়দিন পরপরই এখানে সমস্যা হয়। জোড়াতালি দিয়ে যানচলাচল স্বাভাবিক করলেও কিছুদিন পরপরই আবারও এই সমস্যা দেখা দেয় । এর স্থায়ী সমাধান সময়ের দাবী।
গাড়ী চালক ইমরান হোসেন বলেন, এটা নতুন কিছু নয়। কয়দিন পরপরই এমন সমস্যা হয়। আজ সকালেও যানচলাচল অনেকটাই বন্ধ ছিল। এতে যাত্রীদের মারাত্মক ভোগান্তি হয়েছে। এপ্রোচের মাটি ধসে পড়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কয়েকদিন যাবৎ এমন সমস্যা হচ্ছে এখানে। মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। যেকোন সময় এখানে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আকুল আবেদন দ্রুত যেন এর স্থায়ী সমাধান করে দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে, সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্ট করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই ব্রিজের এপ্রোচের নিচের মাটি খুবই নরম। বারবার মেরামত করলেও নিচের দিকে ধসে যায়। এতদিন পানি থাকায় কাজ করা যায়নি এখন পানি কমলে পুনরায় মেরামত করা হবে।

এই সংবাদটি 9 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ