সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে৭ শিশু সহ ১৫ জন আহত, প্রতিষেধক ইঞ্জেকশন নেই হাসপাতালে

প্রকাশিত: ৩:৪৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৫, ২০২০

হিমাদ্রী শেখর ভদ্র : সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সদরে গেল ১৪ ঘন্টায় পাগলা কুকুরের কামড়ে ৭ শিশু ৫ জন বয়স্ক ব্যাক্তি আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি বিশ্বম্ভরপুর বাজার ও উপজেলা সদরের বিভিন্ন গ্রামে।
আহতরা হলেন,চান্দেরগাও গ্রামের রবিউল আউয়াল(৩২),মৃণাল বিশ্বাস(১০), কৌয়া গ্রামের নিরব মিয়া(১০), ধরেরপাড় গ্রামের মাধব বিশ্বাস (৫), শ্রীধরপুর গ্রামের কামাল উদ্দিন (২৭),বিষ্ণু বিশ্বাস (৩০),সিলডুয়ার গ্রামের মারুফ আহমদ(৯), মুক্তিখলা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন (৩৮), আবিত নগর গ্রামের আব্দুল করিম (৬০), ফজল মিয়া (৪৭) ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী জীবন কৃষ্ণ চৌধুরী। মুক্তিখলা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন জানান, ফার্মেসী থেকে ইঞ্জেকশন কিনে দেয়ার পর। ডাক্তার শরীরের পুস করে দিয়েছে । রবিউল আউয়াল জানান, যাদের কামড় দিয়েছে তাদের অনেকের এতো দাম দিয়ে ইঞ্জেকশন কেনার সামর্থ্য নেই। ওষুধ সরকারি ভাবে বিনামূল্য এ দিতে পারলে সবাই সু চিকিৎসা পেতেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত তাদের কামড় দিয়ে আহত করে পাগলা কুকুর। আহতদের মধ্যে এক শিশুর কান কামড় দিয়ে ছিড়ে ফেলায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুদের বয়স ৭ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা মো আবু বক্কর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান আহতদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। রেবিক্স ডিসি ইঞ্জেকশন দিতে হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এধরনের কোন ওষুধপাতি না থাকায় বাইরের ফার্মে সী থেকে কিনে এনে প্রথম ডোজ দিয়েছেন। এক ডোজ ইঞ্জেকশন এর দাম ৫০০ টাকা। ১ মাসে ৫ ডোজ ইঞ্জেকশন দিতে হবে। একজন রোগীর জন্য ২৫০০ টাকার ইঞ্জেকশন লাগবে।

এই সংবাদটি 66 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ