ঈদের কেনাকাটায় স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই।

প্রকাশিত: ৭:২২ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২১


মিনহাজ অভি:
কঠোর লকডাউনের পর পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মন্ত্রী পরিষদ নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সারা দেশে বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে।বিধিনিষেধ শিথিল করার পরই সুনামগঞ্জে ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে কেনাকাটা।ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খুলেছেন।
বিধিনিষেধ শিথিলের পর গতকাল সকাল থেকে শহরের বিপণি বিতান, শপিংমল, হোটেল রেষ্টুরেন্ট সহ ফুটপাতের দোকানগুলিতে মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল লক্ষনীয়। একই সঙ্গে যানবাহন চলাচলও বেড়েছে ব্যাপকহারে।ফলে বাজারে আসা লোকজনের করোনায় সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
শহর ঘুরে দেখা যায়, শুক্রবার সহ প্রতিদিন প্রতিটি দোকানপাটে, শপিংমলে এবং ফুটপাতে ছিল ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। সুনামগঞ্জ শহরের সুরমা মার্কেট, মধ্যবাজারের কাপড়ের দোকানে, মুক্তারপাড়ায় লতিফ প্লাজা, দোজা শপিং সেন্টার বিভিন্ন গার্মেন্টসের দোকানে, প্রসাধনীর দোকানে, ট্রাফিক পয়েন্ট, পুরাতন বাসষ্টেন্ড এবং শহরের বিভিন্ন ফুটপাতের রেডিমেইড জামা-কাপড়ের দোকানে, পৌর বিপণী এলাকায় জুতার দোকানে, জগন্নাথবাড়িতে মসলাপাতির দোকানে ছিল ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। ব্যাংকে লেনদেন ও হোটেল-রেস্তোরাঁয়ও ছিল ক্রেতা সাধারণের ভিড়। ওয়েজখালি বাজারে এবং ষোলঘর বাজারে ছিল মানুষের বেশি সমাগম। শহরতলীর হালুয়ারঘাট বাজারেও ছিল একই রকম ভিড়।
এছাড়া শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ছিল রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার যানজট। গ্রাম-গঞ্জের মানুষকে সিএনজি ও গাড়ি বোঝাই করে শহরে আসতে দেখা গেছে। ঈদের জামা-কাপড় কেনাকাটার পাশাপাশি মসলাপাতি ও রান্নার উপকরণ কিনে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এসব মানুষ। শহরের প্রতিটি সড়কে যেমন সারিবদ্ধ গাড়ি চলাচল ছিল, তেমনি প্রতিটি দোকানে ছিল ক্রেতাদের ভিড়।
বাজারে আসা ক্রেতা শহরতলীর বদিপুর গ্রামের রেহনুবা রহমান বলেন, আমি ঈদের জামা-কাপড় কিনতে এসেছি। কিন্তু মানুষের ভিড়ে কিনতে পারছি না। অপেক্ষায় আছি। সুযোগ পেলেই দাম-দর করব।

এই সংবাদটি 5 বার পঠিত হয়েছে