১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদে আসছে নতুন ডিজাইন করা নোট

ঈদে নতুন নোট বাজারে ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। জুলাই বিপ্লবের পর নতুন ডিজাইনের নোট বাজারে আসছে শিগগির। ঈদের আগে–পরে বাজারে আসা এসব নোটের কোনোটিতে থাকছে না কোনও ব্যক্তির ছবি। নতুন নোটের নকশায় থাকছে জুলাই বিপ্লবে শহীদ, তারুণ্য, সুন্দরবন এবং ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা বিষয়।

এই প্রেক্ষিতে ২৭ মে বাজারে আসছে ২০ টাকার নোট। এতে কান্তজিউ মন্দির ও বৌদ্ধ মন্দিরের ছবি থাকবে। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের দুর্ভিক্ষের চিত্র ও আতিয়া মসজিদের ছবি দিয়ে ডিজাইন করা ৫০ টাকার নোট ২৯ বা ৩০ মে এবং বঙ্গভবন ও জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি সংবলিত ১০০০ টাকার নোট ২ জুন বাজারে আসবে বলে জানা গেছে। আবু সাঈদ ও মুগ্ধের অবয়ব সংবলিত ৫ টাকার নোট বাজারে আসবে ঈদের পর।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, নতুন নোটের ডিজাইন ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। কাগজ কেনা হয়েছে। ১০০০ টাকার নোটসহ কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন নোটের ছাপার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সুত্র মতে, ৫ টাকায় আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের ছবি, ১০ টাকায় তারুণ্যের ঐক্যের প্রতীক এবং জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ছবি থাকবে। ১০০ টাকায় থাকবে ইউনেস্কোর স্বীকৃত সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ ও বাঘের চিত্র, যা সাবেক সরকারের বিদায়ের পর নোট রূপান্তরের প্রতীক। ২০০ টাকায় ধর্মীয় বৈচিত্র্যের প্রতীক হিসেবে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডা থাকবে, আর ৫০০ টাকায় থাকছে ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিলের ছবি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ দেশে নিজস্ব কাগুজে মুদ্রা প্রচলন হয়। মানচিত্র খচিত প্রথম নোটটি ছিল ১ টাকার। ১৯৭৩ সালে ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট ইস্যু হয়। এরপর ১৯৭৬ সালে আসে ৫০ ও ৫০০ টাকার নোট। ১৯৭৯ সালে ইস্যু করা হয় ২০ টাকার নোট। দেশে ২ টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে। ২০০৯ সালের ১৭ জুলাই বাজারে আনা হয় সর্বোচ্চ মানের ১০০০ টাকার ব্যাংক নোট। আর ২০২০ সালে সর্বশেষ বাজারে ইস্যু করা হয় ২০০ টাকার নোট।

জনপ্রিয় পোস্ট

সুনামগঞ্জে ৪৪৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজা সম্পন্ন, প্রতিমা বিসর্জনে বিদায় দেবী দুর্গার

ঈদে আসছে নতুন ডিজাইন করা নোট

আপডেট সময় : ০৬:২৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

ঈদে নতুন নোট বাজারে ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। জুলাই বিপ্লবের পর নতুন ডিজাইনের নোট বাজারে আসছে শিগগির। ঈদের আগে–পরে বাজারে আসা এসব নোটের কোনোটিতে থাকছে না কোনও ব্যক্তির ছবি। নতুন নোটের নকশায় থাকছে জুলাই বিপ্লবে শহীদ, তারুণ্য, সুন্দরবন এবং ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা বিষয়।

এই প্রেক্ষিতে ২৭ মে বাজারে আসছে ২০ টাকার নোট। এতে কান্তজিউ মন্দির ও বৌদ্ধ মন্দিরের ছবি থাকবে। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের দুর্ভিক্ষের চিত্র ও আতিয়া মসজিদের ছবি দিয়ে ডিজাইন করা ৫০ টাকার নোট ২৯ বা ৩০ মে এবং বঙ্গভবন ও জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি সংবলিত ১০০০ টাকার নোট ২ জুন বাজারে আসবে বলে জানা গেছে। আবু সাঈদ ও মুগ্ধের অবয়ব সংবলিত ৫ টাকার নোট বাজারে আসবে ঈদের পর।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, নতুন নোটের ডিজাইন ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। কাগজ কেনা হয়েছে। ১০০০ টাকার নোটসহ কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন নোটের ছাপার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সুত্র মতে, ৫ টাকায় আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের ছবি, ১০ টাকায় তারুণ্যের ঐক্যের প্রতীক এবং জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ছবি থাকবে। ১০০ টাকায় থাকবে ইউনেস্কোর স্বীকৃত সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ ও বাঘের চিত্র, যা সাবেক সরকারের বিদায়ের পর নোট রূপান্তরের প্রতীক। ২০০ টাকায় ধর্মীয় বৈচিত্র্যের প্রতীক হিসেবে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডা থাকবে, আর ৫০০ টাকায় থাকছে ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিলের ছবি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ দেশে নিজস্ব কাগুজে মুদ্রা প্রচলন হয়। মানচিত্র খচিত প্রথম নোটটি ছিল ১ টাকার। ১৯৭৩ সালে ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট ইস্যু হয়। এরপর ১৯৭৬ সালে আসে ৫০ ও ৫০০ টাকার নোট। ১৯৭৯ সালে ইস্যু করা হয় ২০ টাকার নোট। দেশে ২ টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে। ২০০৯ সালের ১৭ জুলাই বাজারে আনা হয় সর্বোচ্চ মানের ১০০০ টাকার ব্যাংক নোট। আর ২০২০ সালে সর্বশেষ বাজারে ইস্যু করা হয় ২০০ টাকার নোট।