সমাজ বার্তা স্পোর্টস ডেস্কঃ গতকাল স্পেনের বিলবাওয়ের সান মামেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইউরোপা লিগ ২০২৪-২৫ মৌসুমের ফাইনালে টটেনহ্যাম হটস্পার ১-০ গোলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে পরাজিত করে ১৭ বছর পর বড় কোনো শিরোপা জয়ের স্বাদ পেল।
প্রথমার্ধের ৪২তম মিনিটে ব্রেনান জনসনের একমাত্র গোলেই নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য। এই গোলটি লুক শোর একটি দুর্ভাগ্যজনক আত্মঘাতী গোল হিসেবে বিবেচিত হয়। ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও টটেনহ্যামের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক গুলিয়েলমো ভিকারিওর দৃঢ়তায় তারা সমতা ফেরাতে ব্যর্থ হয়।
এই জয় টটেনহ্যামের জন্য তৃতীয় ইউরোপা লিগ শিরোপা, যা তাদের ১৯৮৪ সালের পর প্রথম ইউরোপীয় ট্রফি। এছাড়া, এই জয় তাদের আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।
ম্যাচ শেষে টটেনহ্যামের খেলোয়াড়দের উদযাপনের সময় একটি বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়, যখন দেখা যায় যে বিজয়ীদের জন্য প্রস্তুতকৃত পদকগুলো শেষ হয়ে গেছে এবং অধিনায়ক সন হিউং-মিন ও ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো পদক পাননি। তবে পরে এই ত্রুটি সংশোধন করা হয়।
অন্যদিকে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জন্য এটি ছিল একটি হতাশাজনক সমাপ্তি। তারা প্রিমিয়ার লিগে ১৬তম স্থান অর্জন করে, যা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স। ফাইনালে পরাজয়ের ফলে তারা আগামী মৌসুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ হারায়। ম্যাচ শেষে ডিফেন্ডার ডিয়োগো ডালট বলেন, “এই পরাজয় আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। আমাদের নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা উচিত।” Reuters
ম্যাচ শেষে টটেনহ্যামের ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হ্যারি ম্যাগুইরের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যা কোচিং স্টাফদের হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এই জয় টটেনহ্যামের কোচ অ্যাঞ্জ পোস্টেকোগলুর জন্যও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি তার দ্বিতীয় মৌসুমে প্রতিশ্রুত শিরোপা জয়। তিনি বলেন, “এই জয় আমাদের দলের জন্য একটি নতুন যুগের সূচনা।”
এই ঐতিহাসিক জয় টটেনহ্যামের সমর্থকদের জন্য একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।
স্টাফ রিপোর্টার 
























