০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেলা প্রশাসনের জোরালো অভিযান: করাতকল সীলগালা, মাদক ব্যবসায়ী ও এলপিজি অসাধু বিক্রেতাদের জরিমানা-কারাদণ্ড

জনস্বার্থ রক্ষা, মাদকের অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (১২ অক্টোবর) ও মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পরিচালিত এসব মোবাইল কোর্ট ও অভিযানে মাদক কারবারি সাজাসহ অবৈধ করাতকল বন্ধ এবং মূল্য কারসাজির দায়ে এলপিজি বিক্রয়কেন্দ্রকে জরিমানা করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর (সোমবার) পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’-এর ৩৬(৫) ধারায় একটি মামলায় দুইজনকে ৩০০ টাকা জরিমানা এবং প্রতিটি অপরাধে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

একই দিনে সুনামগঞ্জ সদরের মংগলকাটা এলাকায় লাইসেন্সবিহীন একটি অবৈধ করাতকলে অভিযান চালানো হয়। এসময় করাতকলের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ জব্দ করে সব ধরণের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাকে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশনা প্রদান করে মোবাইল কোর্ট।
মঙ্গলবার তেঘরিয়া এলাকায় পরিচালিত পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ১ জনকে আটক করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’-এর ৩৬(৫) ধারায় উক্ত ব্যক্তিকে ৫০ টাকা জরিমানা ও ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।অন্যদিকে, একই দিনে এলপিজি বিক্রয়কেন্দ্রে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬’ এবং ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’ লঙ্ঘনের দায়ে দুইটি মামলায় দুই বিক্রেতাকে সর্বমোট ৩১,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এসব যৌথ ও মোবাইল কোর্ট অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং সুনামগঞ্জ সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, সমাজকে মাদকমুক্ত রাখা, অবৈধ ব্যবসা বন্ধ করা এবং সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের এই ধরনের তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রতিবেদনটিতে কোনো পরিবর্তন বা বাড়তি তথ্য যোগ করতে চাইলে আমাকে জানাতে পারেন!

টেগ :
জনপ্রিয় পোস্ট

জগন্নাথপুরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযান: দুটি প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

জেলা প্রশাসনের জোরালো অভিযান: করাতকল সীলগালা, মাদক ব্যবসায়ী ও এলপিজি অসাধু বিক্রেতাদের জরিমানা-কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:১১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

জনস্বার্থ রক্ষা, মাদকের অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (১২ অক্টোবর) ও মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পরিচালিত এসব মোবাইল কোর্ট ও অভিযানে মাদক কারবারি সাজাসহ অবৈধ করাতকল বন্ধ এবং মূল্য কারসাজির দায়ে এলপিজি বিক্রয়কেন্দ্রকে জরিমানা করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর (সোমবার) পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’-এর ৩৬(৫) ধারায় একটি মামলায় দুইজনকে ৩০০ টাকা জরিমানা এবং প্রতিটি অপরাধে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

একই দিনে সুনামগঞ্জ সদরের মংগলকাটা এলাকায় লাইসেন্সবিহীন একটি অবৈধ করাতকলে অভিযান চালানো হয়। এসময় করাতকলের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ জব্দ করে সব ধরণের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাকে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশনা প্রদান করে মোবাইল কোর্ট।
মঙ্গলবার তেঘরিয়া এলাকায় পরিচালিত পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ১ জনকে আটক করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’-এর ৩৬(৫) ধারায় উক্ত ব্যক্তিকে ৫০ টাকা জরিমানা ও ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।অন্যদিকে, একই দিনে এলপিজি বিক্রয়কেন্দ্রে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬’ এবং ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’ লঙ্ঘনের দায়ে দুইটি মামলায় দুই বিক্রেতাকে সর্বমোট ৩১,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এসব যৌথ ও মোবাইল কোর্ট অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং সুনামগঞ্জ সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, সমাজকে মাদকমুক্ত রাখা, অবৈধ ব্যবসা বন্ধ করা এবং সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের এই ধরনের তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রতিবেদনটিতে কোনো পরিবর্তন বা বাড়তি তথ্য যোগ করতে চাইলে আমাকে জানাতে পারেন!