ইউনিভার্সিটি মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রস্তাবিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী নতুন কমিশনের ক্ষমতা, মর্যাদা ও কার্যপরিধি ইউজিসির চেয়ে অনেক বেশি হবে। কমিশনের চেয়ারম্যান হবেন পূর্ণ মন্ত্রীর সমমর্যাদাসম্পন্ন এবং কমিশনারদের মর্যাদা হবে আপিল বিভাগের বিচারপতির সমপর্যায়ের।
উচ্চশিক্ষা কমিশন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভরশীল না থেকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। নতুন কমিশনের আওতায় প্রতি তিন বছর পরপর বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিং প্রকাশ, দুর্বল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ তদারকি, বাজেট তদারকি, গবেষণা প্রকল্প মূল্যায়ন এবং অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের ক্ষমতা থাকবে।
কমিশন প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন, বরাদ্দ স্থগিত, কোর্স বা ভর্তি বন্ধের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। পাশাপাশি পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, ক্রেডিট স্থানান্তর ও আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষায়ও ভূমিকা রাখবে।
শিক্ষাবিদরা উদ্যোগটিকে সময়োপযোগী বললেও কমিশনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন।
স্টাফ রিপোর্টার 















