নিজস্ব প্রতিবেদক ;
সুনামগঞ্জের শাল্লায় অতর্কিত হামলায়
গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দৈনিক ইত্তেফাকের শাল্লা উপজেলার সংবাদদাতা
সাংবাদিক সন্দীপন তালুকদার।

বুধবার( ১৩ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার নতুন যাত্রাপুর গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে এমন হামলা শিকার হন তরুণ সংবাদকর্মী সন্দীপন কুমার তালুকদার। আহত এই সাংবাদিক নতুন যাত্রাপুর গ্রামের সীতেশ তালুকদারের ছেলে।
সন্দীপন তালুকদারে’র স্বজন ও পরিবার জানায়,
সন্দীপনের ওপর পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তাকে লোহার রড় দিয়ে পিঠিয়ে গুরুতর আহত করে করে এলাকার একদল সন্ত্রাসী। সে বর্তমানে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয় ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,বুধবার রাতে আনুমানিক ১০টরা দিকে সাংবাদিক সন্দীপন তালুকদার রাতের খাবার খেয়ে নিজ ঘর থেকে তার পাড়ায় একটু হাটঁতে গেলে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীচক্র পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র লোহার রড ও লাটিসোঠা নিয়ে সন্দীপনের উপর হামলা চালায়। এসময় তাঁর শরীরের বিভিন্নস্থানে লোহার রড দিয়ে আঘাত করার ফলে রক্তাক্ত হয় শরীর। আঘাতে শিকার হয়ে চিৎকার করে সন্দিপন। চিৎকার শুনে আশপাশের বাড়ির লোকজন ও তার ছোট ভাই ঝুটন তালুকদার ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে রাতেই শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার(১৪ ডিসেম্বর) ভোরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ।অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় এখন পর্যন্ত ওসমানীতেই চিকিৎসাধীন সন্দিপন
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে আহত সাংবাদিক সন্দীপন জানান, ‘রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির বাহিরে গিয়ে একটু হাটাচলা করার সময় ওৎপেতে থাকা নতুন যাত্রাপুর গ্রামের হরিলাল দাস, নিহার দাস, বিভেস দাস, ব্রজবাসী দাস, রূপক দাস সবুজ দাস, রুবেল দাসসহ তাৎক্ষণিক চিনতে না পাড়া আরও তিনজন সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তবে আমার সাথে হামলাকারীদের কোন পূর্ববিরোধ ছিল না।’ তবে কেন এমন ঘটল জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘আমার ধারণা আমি একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সংবাদ প্রচার করি সত্য কথা বলি এর জের ধরেই এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
এই ঘটনায় আইনের আশ্রয় নিবেন বলেও জানান তিনি।
এই বিষয়ে হামলাকারীদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,’ঘটনাটি জমি সংক্রান্ত পূর্ববিরোধ ছিল বলে শুনেছি এবং খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে এভাবে একজন সংবাদকর্মীর উপর হামলা করাটা খুবই দুঃখজনক।’ এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাইট/দ্বিপাল/সুনাম-২৩ং
স্টাফ রিপোর্টার 




















