০৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি থেকে ফেরা আউট পাস যাত্রীদের মালামাল চুরির অভিযোগে শাহজালাল বিমানবন্দরে উত্তেজনা

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)

সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরা আউট পাস যাত্রীদের ব্যাগ কাটাছেঁড়া ও মালামাল চুরি হওয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। বেবিচক জানিয়েছে, সমস্যার মূল উৎস সৌদির অভ্যন্তরীণ আইনগত প্রক্রিয়া ও আউট পাস যাত্রীদের যৌথ ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনা।

১৪ নভেম্বর সৌদি আরব থেকে ৭৮ জন বাংলাদেশি ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের ET-618 ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরেন। ব্যাগ সংগ্রহের সময় দেখা যায় বেশির ভাগ ব্যাগ কাটা ও মালামাল অনুপস্থিত। এতে যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ভিডিও ধারণ ও স্টাফদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।

বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, সৌদিতে আটক বা কাগজপত্র–সংক্রান্ত জটিলতায় থাকা ব্যক্তিদের আউট পাস দেওয়া হয় এবং তাদের ব্যাগ আলাদা নয়—একত্রিত করে প্রতি যাত্রীর গড়ে ১৫ কেজি হিসেবে বুকিং করা হয়। ফলে কোন মালামাল কার, তা এয়ারলাইনস নিশ্চিত করতে পারে না।

ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস জানিয়েছে, সৌদি ইমিগ্রেশন পুলিশ অনেক যাত্রীর মালামাল আগেই জব্দ করে, যার কোনো তালিকা তাদের দেওয়া হয় না। এমন ঘটনা আগে থেকেও ঘটছে এবং বিষয়টি তারা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে।

বেবিচক বলছে, দেশে এসে ব্যাগ খুললে সমস্যার মুখোমুখি হলেও এর মূল কারণ সৌদির ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা। বিষয়টি তদন্তে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় পোস্ট

দোয়ারাবাজারে ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান

সৌদি থেকে ফেরা আউট পাস যাত্রীদের মালামাল চুরির অভিযোগে শাহজালাল বিমানবন্দরে উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরা আউট পাস যাত্রীদের ব্যাগ কাটাছেঁড়া ও মালামাল চুরি হওয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। বেবিচক জানিয়েছে, সমস্যার মূল উৎস সৌদির অভ্যন্তরীণ আইনগত প্রক্রিয়া ও আউট পাস যাত্রীদের যৌথ ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনা।

১৪ নভেম্বর সৌদি আরব থেকে ৭৮ জন বাংলাদেশি ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের ET-618 ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরেন। ব্যাগ সংগ্রহের সময় দেখা যায় বেশির ভাগ ব্যাগ কাটা ও মালামাল অনুপস্থিত। এতে যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ভিডিও ধারণ ও স্টাফদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।

বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, সৌদিতে আটক বা কাগজপত্র–সংক্রান্ত জটিলতায় থাকা ব্যক্তিদের আউট পাস দেওয়া হয় এবং তাদের ব্যাগ আলাদা নয়—একত্রিত করে প্রতি যাত্রীর গড়ে ১৫ কেজি হিসেবে বুকিং করা হয়। ফলে কোন মালামাল কার, তা এয়ারলাইনস নিশ্চিত করতে পারে না।

ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস জানিয়েছে, সৌদি ইমিগ্রেশন পুলিশ অনেক যাত্রীর মালামাল আগেই জব্দ করে, যার কোনো তালিকা তাদের দেওয়া হয় না। এমন ঘটনা আগে থেকেও ঘটছে এবং বিষয়টি তারা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে।

বেবিচক বলছে, দেশে এসে ব্যাগ খুললে সমস্যার মুখোমুখি হলেও এর মূল কারণ সৌদির ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা। বিষয়টি তদন্তে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।