০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শান্তিগঞ্জে রোপা আমন ধানে আলোক ফাঁদে পোকার উপস্থিতি নির্ণয়

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে রোপা আমন ধানের জমিতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি নির্ণয়ে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের সিচনী হাওরে আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ধানক্ষেতে থাকা বিভিন্ন পোকার উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়।

আলোক ফাঁদ প্রদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন দরগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুফি মিয়া। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দরগাপাশা ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. উমায়েদ নুর, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হরিধন বৈদ্যসহ স্থানীয় কৃষকরা।

ধানের জমিতে সাধারণত কী কারণে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়—এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. উমায়েদ নুর বলেন, ধানের জমিতে মাজরা পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা, বিপিএইচ (BPH)সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকা থাকে। এসব পোকার আক্রমণ শুরু হলে ৩-৪ দিনের মধ্যেই পুরো জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
তিনি বলেন, কৃষকদের আগাম সচেতন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকায় আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ধানের জমিতে কী পরিমাণ পোকা রয়েছে এবং কী কী পোকার উপস্থিতি রয়েছে, তা নির্ণয় করা হয়। পোকার উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

টেগ :
জনপ্রিয় পোস্ট

সুনামগঞ্জে শিশু অধিকার দিবসে চিত্রাঙ্কন ও সঙ্গীত প্রতিযোগিতা

শান্তিগঞ্জে রোপা আমন ধানে আলোক ফাঁদে পোকার উপস্থিতি নির্ণয়

আপডেট সময় : ০৭:৫২:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে রোপা আমন ধানের জমিতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি নির্ণয়ে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের সিচনী হাওরে আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ধানক্ষেতে থাকা বিভিন্ন পোকার উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়।

আলোক ফাঁদ প্রদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন দরগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুফি মিয়া। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দরগাপাশা ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. উমায়েদ নুর, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হরিধন বৈদ্যসহ স্থানীয় কৃষকরা।

ধানের জমিতে সাধারণত কী কারণে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়—এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. উমায়েদ নুর বলেন, ধানের জমিতে মাজরা পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা, বিপিএইচ (BPH)সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকা থাকে। এসব পোকার আক্রমণ শুরু হলে ৩-৪ দিনের মধ্যেই পুরো জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
তিনি বলেন, কৃষকদের আগাম সচেতন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকায় আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ধানের জমিতে কী পরিমাণ পোকা রয়েছে এবং কী কী পোকার উপস্থিতি রয়েছে, তা নির্ণয় করা হয়। পোকার উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।