নিজস্ব প্রতিবেদক ;
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশকে হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়,
গত ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবেসে সরমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। এনিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রাম পুলিশ আবুল কালাম। আবুল কালামের দাবি এই ঘটনার জের ধরেই সরমঙ্গল ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েল প্রকাশ্যে তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছেন বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন ।
এই ঘটনায় গ্রাম পুলিশ আবুল কালাম সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর গত ২০ ডিসেম্বর সরমঙ্গল গ্রামের মৃত মনফর উল্ল্যাহর ছেলে ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েলসহ ২/৩ জনকে অভিযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন দুপুরে অভিযোগকারী গ্রাম পুলিশ পরিষদে গেলে চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েল তেড়ে আসেন এবং তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, দেন প্রাননাশের হুমকি।
অভিযোগ পত্রে গ্রাম পুলিশ জানান,’গত ১৬ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের দিনে সরমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্বাধীনতা বিরোধী মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েল পরিষদ কমপ্লেক্স ভবণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন নি। ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গ্রাম পুলিশ সদস্যের বাড়ি হওয়ায় কয়েকজন সাংবাদিক গত ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের দিনে পরিষদের কমপ্লেক্স জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করার কারণ জানতে চান এবং আমার বক্তব্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। আমি কেন বক্তব্য দিলাম এই কারণে চেয়ারম্যান ও তার ২/৩জন সহযোগ আমাকে বিভিন্নভাবে প্রাননাশের হুমকি দিচ্ছেন’।
অভিযোগ পত্রে তিনি আরো উল্লেখ করেন, বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসেও সরমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। গ্রাম পুলিশের অভিযোগ চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন তাকে খোজেঁ বেড়াচ্ছেন অন্যদিকে হুমকি দামকীতে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।
এ ব্যাপারে সরমঙ্গল ইউপির গ্রাম পুলিশ আবুল কালাম সাংবাদিকদের কাছে জানান, তার নিরাপত্তা বিধানসহ স্বাধীনতা বিরোধী ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েলের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের সহযোগীতা পাওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ।
অভিযুক্ত সরমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েল মোটো ফোনে জানান, তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়। তিনি এলাকায় গিয়ে সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ করেন।মহান বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকা কেন উত্তোলন করেন নি? এমন প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, ‘ পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল কিন্তু কেউ পতাকা নামিয়ে দিয়েছে এটা আমার জানা নাই’।
দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহমুদুর রহমান খন্দকার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান ‘বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে’।
বাইট/দ্বিপাল/সুনাম-২৩ইং
স্টাফ রিপোর্টার 






















