০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্কুল-কলেজে প্রাত্যহিক সমাবেশে নতুন শপথ পাঠ করানোর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

স্কুল-কলেজে প্রাত্যহিক সমাবেশে নতুন শপথ পাঠ করানোর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (২১ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এতে বলা হয়, সাম্যের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশপ্রেমকে উদ্ভুদ্ধ করতে দিকনির্দেশনামূলক একটি ‘শপথ’ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশে পাঠ করানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। শপথ বাক্যটি নিম্নরূপ-

‘আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। দেশের প্রতি অনুগত থাকিব। দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখিবার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব। অন্যায় ও দুর্নীতি করিব না এবং অন্যায় ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিব না। হে মহান আল্লাহ/মহান সৃষ্টিকর্তা আমাকে শক্তি দিন, আমি যেন বাংলাদেশের সেবা করিতে পারি এবং বাংলাদেশকে একটি আদর্শ, বৈষম্যহীন ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসাবে গড়িয়া তুলিতে পারি। আমিন। ’

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ১৯ আগস্ট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পিটিআইয়ের প্রাত্যহিক সমাবেশে শপথ পরিবর্তন করা হয়।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর নিম্নোক্ত শপথবাক্য পাঠের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়—‘আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। দেশের প্রতি অনুগত থাকিব। দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখিবার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব।

হে মহান আল্লাহ মহান সৃষ্টিকর্তা, আমাকে শক্তি দিন, আমি যেন বাংলাদেশের সেবা করিতে পারি এবং বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে গড়িয়া তুলিতে পারি। আমিন। ’

জনপ্রিয় পোস্ট

টিআরসি নিয়োগ কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের প্রস্তুতিমূলক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত।

স্কুল-কলেজে প্রাত্যহিক সমাবেশে নতুন শপথ পাঠ করানোর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

স্কুল-কলেজে প্রাত্যহিক সমাবেশে নতুন শপথ পাঠ করানোর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (২১ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এতে বলা হয়, সাম্যের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশপ্রেমকে উদ্ভুদ্ধ করতে দিকনির্দেশনামূলক একটি ‘শপথ’ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশে পাঠ করানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। শপথ বাক্যটি নিম্নরূপ-

‘আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। দেশের প্রতি অনুগত থাকিব। দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখিবার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব। অন্যায় ও দুর্নীতি করিব না এবং অন্যায় ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিব না। হে মহান আল্লাহ/মহান সৃষ্টিকর্তা আমাকে শক্তি দিন, আমি যেন বাংলাদেশের সেবা করিতে পারি এবং বাংলাদেশকে একটি আদর্শ, বৈষম্যহীন ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসাবে গড়িয়া তুলিতে পারি। আমিন। ’

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ১৯ আগস্ট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পিটিআইয়ের প্রাত্যহিক সমাবেশে শপথ পরিবর্তন করা হয়।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর নিম্নোক্ত শপথবাক্য পাঠের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়—‘আমি শপথ করিতেছি যে, মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখিব। দেশের প্রতি অনুগত থাকিব। দেশের একতা ও সংহতি বজায় রাখিবার জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিব।

হে মহান আল্লাহ মহান সৃষ্টিকর্তা, আমাকে শক্তি দিন, আমি যেন বাংলাদেশের সেবা করিতে পারি এবং বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে গড়িয়া তুলিতে পারি। আমিন। ’