বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা অবসর সুবিধা ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।গতকাল সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি রাজধানী থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী একযোগে এই সুবিশাল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই যুগান্তকারী উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ সকাল ১১:৩০ মিনিটে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে (ডিসি কনফারেন্স রুম) সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই ভিডিও কনফারেন্স কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।, এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)মোহা: মতিউর রহমান খাঁন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাকিলা রহমান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: সাব্বির হোসেন শাওন।
জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এড,শেরেনুর আলী, অধ্যক্ষ (অব:) ও প্রেসক্লাবের সভাপতি শেরগুল আহমেদ। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিপুল সংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষের বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিজেদের ন্যায্য প্রাপ্য ও সম্মানজনক সুবিধা হাতে পাওয়ার সূচনা দেখে উপস্থিত শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে আনন্দের আবহ তৈরি হয়। সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কনফারেন্স রুমে উপস্থিত জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা এবং শিক্ষক প্রতিনিধিগণ সরকারের এই মানবতাবাদী পদক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, জীবনের সোনালী সময় শিক্ষার আলো ছড়াতে ব্যয় করা এই শিক্ষক-কর্মচারীগণের প্রাপ্য সুবিধা দ্রুত নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের এক অনন্য উপহার। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর অবসরপ্রাপ্ত ৪৬৬ জন অবসরভাতা ও ১১৮ জল শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ তহবিল ভাতা দেওয়া হবে।
পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষক-কর্মচারী এর আওতায় আসবেন বলে জানান। শিক্ষক-কর্মচারীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের প্রাপ্য অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। বহুদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই সুবিধা চালু হওয়ায় উপস্থিত প্রবীণ শিক্ষাগুরুরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
স্টাফ রিপোর্টার: 


















