১১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দোয়ারাবাজারে পুত্রবধু কর্তৃক শ্বশুর হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে ছেলের অর্থায়নে পুত্রবধু কর্তৃক শ্বশুর হত্যার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচী পালন করেছে এলাকাবাসী।

আজ শুক্রবার (২১ আগষ্ট) বিকালে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ পরবর্তী প্রতিবাদ সভায় স্থানীয় বাসিন্দা আরজু মিয়া’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নরসিংপুর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান সামছুল হক নমু,ইসলামপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হেকিম, সমাজসেবক ডা: আবুল কালাম আজাদ, কবির আহমদ, ইউপি সদস্য আফরোজা খানম, সাবেক ইউপি সদস্য বইছুর -মা,মো: ফরহাদ হোসেন, হাবিবুল্লাহ, রুহেল আহমদ, কবির মিয়া, পূর্ব চাইরগাঁও গ্রামের সমাজসেবক হেলার আহমদ এবং নুরু মিয়া প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ছেলের মদদে বাবাকে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত জঘন্য ও নিন্দনীয়। এ ঘটনায় সমাজে মানুষের মধ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ ধরনের ছেলে ও পুত্রবধূ যেন আর কোনো পরিবারে জন্ম না নেয়—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানান এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর দাবি, হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসির শাস্তি নিশ্চিত করা হলে সমাজে এ ধরনের ঘটনা কমে আসবে। ভবিষ্যতে যেন কোনো ছেলে তার বাবাকে হত্যার সাহস না পায় এবং কোনো পুত্রবধূও এ ধরনের অপরাধে জড়াতে সাহস না করে, সে জন্য গ্রেপ্তার আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা। এসময় এলাকার কয়েক শতাধিক মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত শনিবার (১৫ আগষ্ট) রাতে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের নাতনি মোছা. আছমা বেগম (২৬) বাদী হয়ে নিহতের প্রবাসী ছেলে ইসমাঈল হোসাইন, পুত্রবধু হোসনা বেগম, হাবিব নগর গ্রামের খায়রুল হকের ছেলে রুহুল আমিন,কুদ্দুস মিয়া-র ছেলে নজরুল ইসলাম এবং জিয়াউর রহমানকে উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করে দোয়ারাবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে নিহতের স্বজনদের অভিযোগে পুত্রবধু হোসনারা বেগমকে সন্দেহজনক ভাবে থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাধে হত্যার ঘটনাটি স্বীকারোক্তি দেয় তিনি। এই ঘটনার দি রাতেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।

জনপ্রিয় পোস্ট

দোয়ারাবাজারে পুত্রবধু কর্তৃক শ্বশুর হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

দোয়ারাবাজারে পুত্রবধু কর্তৃক শ্বশুর হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১০:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে ছেলের অর্থায়নে পুত্রবধু কর্তৃক শ্বশুর হত্যার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচী পালন করেছে এলাকাবাসী।

আজ শুক্রবার (২১ আগষ্ট) বিকালে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ পরবর্তী প্রতিবাদ সভায় স্থানীয় বাসিন্দা আরজু মিয়া’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন নরসিংপুর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান সামছুল হক নমু,ইসলামপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হেকিম, সমাজসেবক ডা: আবুল কালাম আজাদ, কবির আহমদ, ইউপি সদস্য আফরোজা খানম, সাবেক ইউপি সদস্য বইছুর -মা,মো: ফরহাদ হোসেন, হাবিবুল্লাহ, রুহেল আহমদ, কবির মিয়া, পূর্ব চাইরগাঁও গ্রামের সমাজসেবক হেলার আহমদ এবং নুরু মিয়া প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ছেলের মদদে বাবাকে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত জঘন্য ও নিন্দনীয়। এ ঘটনায় সমাজে মানুষের মধ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ ধরনের ছেলে ও পুত্রবধূ যেন আর কোনো পরিবারে জন্ম না নেয়—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানান এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর দাবি, হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসির শাস্তি নিশ্চিত করা হলে সমাজে এ ধরনের ঘটনা কমে আসবে। ভবিষ্যতে যেন কোনো ছেলে তার বাবাকে হত্যার সাহস না পায় এবং কোনো পুত্রবধূও এ ধরনের অপরাধে জড়াতে সাহস না করে, সে জন্য গ্রেপ্তার আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা। এসময় এলাকার কয়েক শতাধিক মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত শনিবার (১৫ আগষ্ট) রাতে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের নাতনি মোছা. আছমা বেগম (২৬) বাদী হয়ে নিহতের প্রবাসী ছেলে ইসমাঈল হোসাইন, পুত্রবধু হোসনা বেগম, হাবিব নগর গ্রামের খায়রুল হকের ছেলে রুহুল আমিন,কুদ্দুস মিয়া-র ছেলে নজরুল ইসলাম এবং জিয়াউর রহমানকে উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করে দোয়ারাবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে নিহতের স্বজনদের অভিযোগে পুত্রবধু হোসনারা বেগমকে সন্দেহজনক ভাবে থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাধে হত্যার ঘটনাটি স্বীকারোক্তি দেয় তিনি। এই ঘটনার দি রাতেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।