০২:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যনগরে আকস্মিক ঝড়ে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের আমানীপুর গ্রামে আকস্মিক ঝড়ে বসতঘর, গোয়ালঘর, আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে হঠাৎ ঝোড়ো বাতাস শুরু হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘরগুলোর টিনের চাল ও বেড়া উড়ে যায়। একই সঙ্গে বাড়ির গাছপালা ভেঙে পড়ে এবং ঘরে থাকা আসবাবপত্র, ধান-চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন দুর্ভোগে পরেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বুধবার রাত ১১টার দিকে হঠাৎ করেই এলাকায় ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। প্রথমে বাতাসের গতি তুলনামূলক কম থাকলেও কিছুক্ষণের মধ্যে তা তীব্র আকার ধারণ করে। এ সময় আমানীপুর গ্রামে বাড়িঘরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কয়েকটি ঘরের টিনের চাল বাতাসে উড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য মনিন্দ্র সরকার বলেন, ঝড়ে আমাদের ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঘরের চাল ও বেড়া নষ্ট হয়ে যাওয়ায় রাতেই নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য অন্যত্র যেতে হয়েছে। পশুপাখি ও গবাধি পশুর ঘর ভেঙে গেছে। এসব ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়ায় নতুন ঘর মেরামত করতে এসব নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

উপজেলার আমানীপুর গ্রামের বাসিন্দা জামাল মিয়া বলেন, হঠাৎ ঝড়ে আমানীপুর গ্রামের কয়েকটি পরিবারের ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকের ঘরে থাকার মতো পরিস্থিতি নেই। দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করে সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও জন প্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জনি রায় কালবেলাকে বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়ার পরই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী টিনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে তা বিতরণ করা হবে।

জনপ্রিয় পোস্ট

শান্তিগঞ্জে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

মধ্যনগরে আকস্মিক ঝড়ে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় : ০৮:০৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের আমানীপুর গ্রামে আকস্মিক ঝড়ে বসতঘর, গোয়ালঘর, আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে হঠাৎ ঝোড়ো বাতাস শুরু হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘরগুলোর টিনের চাল ও বেড়া উড়ে যায়। একই সঙ্গে বাড়ির গাছপালা ভেঙে পড়ে এবং ঘরে থাকা আসবাবপত্র, ধান-চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন দুর্ভোগে পরেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বুধবার রাত ১১টার দিকে হঠাৎ করেই এলাকায় ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। প্রথমে বাতাসের গতি তুলনামূলক কম থাকলেও কিছুক্ষণের মধ্যে তা তীব্র আকার ধারণ করে। এ সময় আমানীপুর গ্রামে বাড়িঘরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কয়েকটি ঘরের টিনের চাল বাতাসে উড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য মনিন্দ্র সরকার বলেন, ঝড়ে আমাদের ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঘরের চাল ও বেড়া নষ্ট হয়ে যাওয়ায় রাতেই নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য অন্যত্র যেতে হয়েছে। পশুপাখি ও গবাধি পশুর ঘর ভেঙে গেছে। এসব ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়ায় নতুন ঘর মেরামত করতে এসব নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

উপজেলার আমানীপুর গ্রামের বাসিন্দা জামাল মিয়া বলেন, হঠাৎ ঝড়ে আমানীপুর গ্রামের কয়েকটি পরিবারের ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকের ঘরে থাকার মতো পরিস্থিতি নেই। দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করে সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও জন প্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জনি রায় কালবেলাকে বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়ার পরই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী টিনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে তা বিতরণ করা হবে।