নিজস্ব প্রতিবেদক :

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপের পরীক্ষা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) পরীক্ষার্থীদের পক্ষে রিট টি দায়ের করেন ফাতেমা আক্তার সাথী।
রিট আবেদনে বলা হয়, গত ৮ ডিসেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ডিভাইস জালিয়াতি, প্রক্সি ও দুর্নীতির তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তাই এ পরীক্ষা বাতিল বাতিল চাওয়া হয়েছে।
এর আগে অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগ তুলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন প্রার্থীদের একটি অংশ। গত সোমবার (১১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা শেষ হয়। আগামী ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে এ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহমেদ।
উল্লেখ্য ;
গত ৮ ডিসেম্বর রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের ১৮টি জেলার ৫৩৫টি কেন্দ্রে প্রাথমিক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ পর্বের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল তিন লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ জন।
এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, গত বছর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া গণহারে কিংবা বড় ধরণের কোনো অভিযোগ ছাড়াই সমাধান হয়েছিল। তবে এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপেই বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছে প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ কেন্দ্রে ডিভাইসের সাহায্যে অনিয়মের কথা শুনা যাচ্ছে। আমাদের বিশ্বাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় নিয়োগ কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। যেহেতু কিছু অভিযোগ দৃশ্যমান সেহেতু পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী অনেকেই দাবি তুলছেন, আরো অনেকক্ষেত্রেই অনিয়ম হতে পারে যা গণমাধ্যমে আসে নি তাই প্রথম ধাপের পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় গ্রহণ করার দাবি চাকুরি প্রত্যাশীদের।
বাইট/দ্বিপাল/সুনাম-২৩
স্টাফ রিপোর্টার 


















