০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারীরা ও রোগী সবাই অনিরাপদ

সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে দালালচক্র ও বহিরাগতদের বারবার হামলায় চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা তীব্র নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। গত এক মাসে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটলেও অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাবে অনেক সময় আপসের ফলে দালালচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর জরুরি বিভাগে সিনিয়র স্টাফ নার্স জাহাঙ্গীর আলমকে মারধর করে সাব্বির আহমেদ নামে এক যুবক। ঘটনায় মামলা হলে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এর আগেও এক্স-রে রুমে ওয়ার্ডবয়কে মারধর এবং চিকিৎসকদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

হাসপাতাল কর্মীরা বলেন, দালালরা রোগীদের ভুল পথে প্ররোচিত করে বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করলেই হামলার ঘটনা ঘটে, ফলে স্বাভাবিক সেবাদান ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি চুরির ঘটনাও বেড়েছে। ওয়ার্ড-কেবিন এলাকায় নিয়ন্ত্রণহীনভাবে মানুষের প্রবেশে রোগীদের মূল্যবান জিনিসপত্র খোয়া যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতে, ধারাবাহিক হামলায় কর্মীদের মনোবল কমে যাচ্ছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের ভেতরে পুলিশ ক্যাম্প বা আনসার মোতায়েন জরুরি। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

জনপ্রিয় পোস্ট

প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি দৈনিক সুনামগঞ্জের ডাক-এর নাম ব্যবহার করে ফেসবুক পেজ ও অনলাইন পোর্টাল পরিচালনার অভিযোগ, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি

সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারীরা ও রোগী সবাই অনিরাপদ

আপডেট সময় : ১০:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে দালালচক্র ও বহিরাগতদের বারবার হামলায় চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা তীব্র নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। গত এক মাসে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটলেও অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাবে অনেক সময় আপসের ফলে দালালচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর জরুরি বিভাগে সিনিয়র স্টাফ নার্স জাহাঙ্গীর আলমকে মারধর করে সাব্বির আহমেদ নামে এক যুবক। ঘটনায় মামলা হলে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এর আগেও এক্স-রে রুমে ওয়ার্ডবয়কে মারধর এবং চিকিৎসকদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

হাসপাতাল কর্মীরা বলেন, দালালরা রোগীদের ভুল পথে প্ররোচিত করে বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করলেই হামলার ঘটনা ঘটে, ফলে স্বাভাবিক সেবাদান ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি চুরির ঘটনাও বেড়েছে। ওয়ার্ড-কেবিন এলাকায় নিয়ন্ত্রণহীনভাবে মানুষের প্রবেশে রোগীদের মূল্যবান জিনিসপত্র খোয়া যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতে, ধারাবাহিক হামলায় কর্মীদের মনোবল কমে যাচ্ছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের ভেতরে পুলিশ ক্যাম্প বা আনসার মোতায়েন জরুরি। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।