০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই মাসে ইসরাইল ৭৩৮ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে, হত্যা করেছে অন্তত ৩৭৭ ফিলিস্তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গত ৬০ দিনে অন্তত ৭৩৮ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, এসব হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং যুদ্ধবিরতির শর্তকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবমূল্যায়ন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি বহাল থাকলেও উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি অভিযানে কমপক্ষে ৩৭৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৯৮৭ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গত ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শুরু হয়। শর্ত অনুসারে হামাসের হাতে থাকা জীবিত ২০ জন বন্দীকে ইসরায়েলের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একজন ছাড়া মৃত ২৭ জন বন্দীর মরদেহও ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর বিনিময়ে ইসরায়েল কয়েক হাজার ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে এবং গাজার কিছু অংশ থেকে সেনা পিছিয়ে নিয়েছে।

যুদ্ধবিরতির অন্যতম শর্ত ছিল ইসরায়েল গাজায় হামলা বন্ধ করবে। তবে এখনো তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

এ অবস্থায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ শুরু করতে নতুন করে তৎপরতা বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

জনপ্রিয় পোস্ট

সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যা ও এম এ মোতালিব ভুঁইয়ার ওপর হামলার প্রতিবাদে শাল্লা উপজেলা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

দুই মাসে ইসরাইল ৭৩৮ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে, হত্যা করেছে অন্তত ৩৭৭ ফিলিস্তিনি।

আপডেট সময় : ০২:০৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গত ৬০ দিনে অন্তত ৭৩৮ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, এসব হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং যুদ্ধবিরতির শর্তকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবমূল্যায়ন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি বহাল থাকলেও উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি অভিযানে কমপক্ষে ৩৭৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৯৮৭ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গত ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শুরু হয়। শর্ত অনুসারে হামাসের হাতে থাকা জীবিত ২০ জন বন্দীকে ইসরায়েলের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একজন ছাড়া মৃত ২৭ জন বন্দীর মরদেহও ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর বিনিময়ে ইসরায়েল কয়েক হাজার ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে এবং গাজার কিছু অংশ থেকে সেনা পিছিয়ে নিয়েছে।

যুদ্ধবিরতির অন্যতম শর্ত ছিল ইসরায়েল গাজায় হামলা বন্ধ করবে। তবে এখনো তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

এ অবস্থায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ শুরু করতে নতুন করে তৎপরতা বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।