১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩১ আগস্ট শ্রীরামসি গণহত্যা দিবস

৩১ আগস্ট সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামসি আঞ্চলিক গণহত্যা দিবস।১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে শ্রীরামসি গ্রামে পাকবাহিনী গণহত্যা চালায়। এরপর থেকেই প্রতিবছর এই দিনটি আঞ্চলিক গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে শ্রীরামসি ‘শহিদ স্মৃতি সংসদ’ এর উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি মুন্তাকিম হোসেন জানান, দিবসটি উপলক্ষে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁদের স্মরণে মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা ও মেধা নির্বাচনী প্রতিযোগিতার সনদ এবং পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়েছে।

ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৩১শে আগস্ট সকাল ১০টার দিকে পাকহানাদার বাহিনী ৭/৮ টি নৌকা যোগে শ্রীরামসি বাজারে আসে এবং স্থানীয় রাজাকারদের দিয়ে গ্রামবাসীদের কে খবর দেয়, শ্রীরামসি হাইস্কুল মাঠে শান্তি রক্ষা কমিটির সভা আহবান করা হয়, ঐ সভায় সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য প্রচারণা চালানো হয়। শান্তির আশায় গ্রামের লোকজন সে দিন স্কুল মাঠে সমবেত হয়। যারা আসতে দেরী করেন তাদেরকেও ডেকে আনা হয়। এরপর পাকসেনারা ১০/১২ জন করে বিদ্যালয়ের কক্ষে ডেকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে লাইন ধরিয়ে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। সেদিন হানাদার বাহিনী নির্মমভাবে ১২৬ জন লোককে এখানে হত্যা করে।

জনপ্রিয় পোস্ট

৩১ আগস্ট শ্রীরামসি গণহত্যা দিবস

৩১ আগস্ট শ্রীরামসি গণহত্যা দিবস

আপডেট সময় : ০৮:৪২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

৩১ আগস্ট সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামসি আঞ্চলিক গণহত্যা দিবস।১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে শ্রীরামসি গ্রামে পাকবাহিনী গণহত্যা চালায়। এরপর থেকেই প্রতিবছর এই দিনটি আঞ্চলিক গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে শ্রীরামসি ‘শহিদ স্মৃতি সংসদ’ এর উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষ্ঠান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি মুন্তাকিম হোসেন জানান, দিবসটি উপলক্ষে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁদের স্মরণে মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা ও মেধা নির্বাচনী প্রতিযোগিতার সনদ এবং পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়েছে।

ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৩১শে আগস্ট সকাল ১০টার দিকে পাকহানাদার বাহিনী ৭/৮ টি নৌকা যোগে শ্রীরামসি বাজারে আসে এবং স্থানীয় রাজাকারদের দিয়ে গ্রামবাসীদের কে খবর দেয়, শ্রীরামসি হাইস্কুল মাঠে শান্তি রক্ষা কমিটির সভা আহবান করা হয়, ঐ সভায় সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য প্রচারণা চালানো হয়। শান্তির আশায় গ্রামের লোকজন সে দিন স্কুল মাঠে সমবেত হয়। যারা আসতে দেরী করেন তাদেরকেও ডেকে আনা হয়। এরপর পাকসেনারা ১০/১২ জন করে বিদ্যালয়ের কক্ষে ডেকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে লাইন ধরিয়ে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। সেদিন হানাদার বাহিনী নির্মমভাবে ১২৬ জন লোককে এখানে হত্যা করে।