০৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিরাইয়ে এইচএসসিতে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৭.৮২ শতাংশ; এক কলেজে শূন্য পাস

দিরাই উপজেলায় ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ভয়াবহ ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। সিলেট শিক্ষা বোর্ডের গড় পাশের হার ৫০.৩০ ভাগ হলেও দিরাইয়ে তা নেমে এসেছে ৪৭.৮২ ভাগে। উপজেলার ১০টি কলেজের ১৮৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র ৮৯০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১০ জন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উপজেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ দিরাই সরকারি কলেজে ৭৯৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ৩৮৪ জন। পাশের হার ৪৮.৮১ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।

উপজেলায় সবচেয়ে ভালো ফল করেছে বিবিয়ানা মডেল কলেজ। এই কলেজে ৪৮৪ জনের মধ্যে ২৮৩ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৬২.৬৪ ভাগ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ফলাফল:
আনোয়ারপুর কলেজে ৬৬ জনে ৪২ জন পাশ, হার ৬৪.৬২ ভাগ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মহিলা কলেজে ১০৭ জনে ৬৭ জন পাশ, হার ৬২.৬১ ভাগ, ডা. সৈয়দ মগবুল হোসেন কলেজে ৫৭ জনে ১৮ জন পাশ, হার ৩১.৫৭ ভাগ, রজনীগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৮০ জনে ৬ জন পাশ, হার মাত্র ৭.৫০ ভাগ।

সবচেয়ে খারাপ অবস্থা আল-হাজ্ব আব্দুল মতলিব ডিগ্রি কলেজে। এই কলেজের ১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাশ করতে পারেনি। পাশের হার শূন্য।

এছাড়া বদলপুর শহীদ একাডেমীতে ৫০ জনে ২৫ জন, হাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৫১ জনে ৯ জন, চরনারচর এবিএম মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১০ জনে ২ জন পাশ করেছে।

অপরদিকে দাখিল পরীক্ষায় উপজেলার হাজী মাহমদ মিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৪৪.৪৪ ভাগ।

এই ফলাফল বিপর্যয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

টেগ :
জনপ্রিয় পোস্ট

জগন্নাথপুরে এইচএসসিতে পাশের হার ৪৭.০৫%, আলিমে ৫০.৯৯%

দিরাইয়ে এইচএসসিতে ভরাডুবি, পাসের হার ৪৭.৮২ শতাংশ; এক কলেজে শূন্য পাস

আপডেট সময় : ০৬:২৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

দিরাই উপজেলায় ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ভয়াবহ ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। সিলেট শিক্ষা বোর্ডের গড় পাশের হার ৫০.৩০ ভাগ হলেও দিরাইয়ে তা নেমে এসেছে ৪৭.৮২ ভাগে। উপজেলার ১০টি কলেজের ১৮৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র ৮৯০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১০ জন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উপজেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ দিরাই সরকারি কলেজে ৭৯৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ৩৮৪ জন। পাশের হার ৪৮.৮১ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।

উপজেলায় সবচেয়ে ভালো ফল করেছে বিবিয়ানা মডেল কলেজ। এই কলেজে ৪৮৪ জনের মধ্যে ২৮৩ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৬২.৬৪ ভাগ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ফলাফল:
আনোয়ারপুর কলেজে ৬৬ জনে ৪২ জন পাশ, হার ৬৪.৬২ ভাগ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মহিলা কলেজে ১০৭ জনে ৬৭ জন পাশ, হার ৬২.৬১ ভাগ, ডা. সৈয়দ মগবুল হোসেন কলেজে ৫৭ জনে ১৮ জন পাশ, হার ৩১.৫৭ ভাগ, রজনীগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৮০ জনে ৬ জন পাশ, হার মাত্র ৭.৫০ ভাগ।

সবচেয়ে খারাপ অবস্থা আল-হাজ্ব আব্দুল মতলিব ডিগ্রি কলেজে। এই কলেজের ১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাশ করতে পারেনি। পাশের হার শূন্য।

এছাড়া বদলপুর শহীদ একাডেমীতে ৫০ জনে ২৫ জন, হাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৫১ জনে ৯ জন, চরনারচর এবিএম মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১০ জনে ২ জন পাশ করেছে।

অপরদিকে দাখিল পরীক্ষায় উপজেলার হাজী মাহমদ মিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৪৪.৪৪ ভাগ।

এই ফলাফল বিপর্যয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।