০৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিতকরণে গুরুত্ব প্রধান উপদেষ্টার

গভীর সমুদ্রে গবেষণা জোরদার ও সামুদ্রিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। গবেষণা জাহাজ R.V. Dr. Fridtjof Nansen-এর সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম বিষয়ক জরিপ প্রতিবেদন আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তাঁর কাছে উপস্থাপন করা হয়।

জরিপে নতুন ৬৫ প্রজাতির জলজ প্রাণির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে ওভারফিশিংয়ের ফলে গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য, বড় মাছের সংখ্যা হ্রাস এবং দুই হাজার মিটার গভীরতায় প্লাস্টিকের উপস্থিতি উদ্বেগজনক বলে জানান গবেষকরা।

বৈঠকে জানানো হয়, গভীর সমুদ্রে টার্গেটেড সোনার ফিশিং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এ বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান মৎস্য উপদেষ্টা। গবেষণায় টুনা মাছের সম্ভাবনা ও সুন্দরবনের নিচে একটি ফিশিং নার্সারি শনাক্ত হয়েছে, যা সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সমুদ্রসম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গবেষণা ও নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সঙ্গে যৌথ গবেষণার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

ছবনি কৃতজ্ঞতাঃ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়

জনপ্রিয় পোস্ট

দোয়ারাবাজারে ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা প্রদান

গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিতকরণে গুরুত্ব প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ০২:৪৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

গভীর সমুদ্রে গবেষণা জোরদার ও সামুদ্রিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। গবেষণা জাহাজ R.V. Dr. Fridtjof Nansen-এর সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম বিষয়ক জরিপ প্রতিবেদন আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তাঁর কাছে উপস্থাপন করা হয়।

জরিপে নতুন ৬৫ প্রজাতির জলজ প্রাণির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে ওভারফিশিংয়ের ফলে গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য, বড় মাছের সংখ্যা হ্রাস এবং দুই হাজার মিটার গভীরতায় প্লাস্টিকের উপস্থিতি উদ্বেগজনক বলে জানান গবেষকরা।

বৈঠকে জানানো হয়, গভীর সমুদ্রে টার্গেটেড সোনার ফিশিং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এ বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান মৎস্য উপদেষ্টা। গবেষণায় টুনা মাছের সম্ভাবনা ও সুন্দরবনের নিচে একটি ফিশিং নার্সারি শনাক্ত হয়েছে, যা সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সমুদ্রসম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গবেষণা ও নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সঙ্গে যৌথ গবেষণার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

ছবনি কৃতজ্ঞতাঃ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়