১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলাভূমির সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারে পরামর্শ বিষয়ক কর্মশালা

টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলজ সম্পদ রক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন নিশ্চিত করতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল এলাকায় হাউসবোট নিয়ন্ত্রণ, নির্ধারিত নৌপথ অনুসরণ, হাওর রক্ষায় পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, ফসল উৎপাদনে কীটনাশক অতিমাত্রায় ব্যবহার রোধ ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে ‘টাঙ্গুয়ার হাওর জলাভূমি সম্পদের সঠিক ব্যবহার’ শীর্ষক পরামর্শ সভা ও কর্মশালায় এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম। টাঙ্গুয়ার হাওর জলাভূমি প্রতিবেশ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের কার্যক্রম ও জলাভূমি সম্পদের বিচক্ষণ ব্যবহারের ওপর মূল প্রবন্ধ ও উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজেক্ট ডিরেক্টর সাহেদা বেগম।

জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপসচিব আমিরুল কায়সার, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ, সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস রঞ্জন শীল, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক।

উম্মুক্ত আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন এলজিইডির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ (অব.) শেরগুল আহমেদ, দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের সম্পাদক পঙ্কজ কান্তি দে, সাংবাদিক খলিল রহমান, আনসার কমান্ডার মোরশেদা খানম, সাংবাদিক গিয়াস চৌধুরী,পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্হার সভাপতি কাশমির রেজা, টাঙ্গুয়ার হাওর পাড়ের কৃষক নুরুল আলমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, পরিবেশকর্মী, গবেষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

কর্মশালায় হিজল-করচসহ দেশীয় জলসহিষ্ণু বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বনায়ন জোরদার, হাওরে বর্জ্য ফেলা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন শিল্পের বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওর শুধু পর্যটনকেন্দ্র নয়, এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্যের আধার। তাই এর সম্পদ ব্যবহারে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, গবেষক ও পরিবেশকর্মীদের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। উন্নয়ন ও পর্যটনের পাশাপাশি হাওরের প্রতিবেশব্যবস্থা সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

কর্মশালায় টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য, জলজ সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষায় অংশীজনদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

টেগ :
জনপ্রিয় পোস্ট

শান্তিগঞ্জে বেশির ভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকে না, মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে গ্রাহকের ক্ষোভ

জলাভূমির সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারে পরামর্শ বিষয়ক কর্মশালা

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলজ সম্পদ রক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন নিশ্চিত করতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল এলাকায় হাউসবোট নিয়ন্ত্রণ, নির্ধারিত নৌপথ অনুসরণ, হাওর রক্ষায় পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, ফসল উৎপাদনে কীটনাশক অতিমাত্রায় ব্যবহার রোধ ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে ‘টাঙ্গুয়ার হাওর জলাভূমি সম্পদের সঠিক ব্যবহার’ শীর্ষক পরামর্শ সভা ও কর্মশালায় এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম। টাঙ্গুয়ার হাওর জলাভূমি প্রতিবেশ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের কার্যক্রম ও জলাভূমি সম্পদের বিচক্ষণ ব্যবহারের ওপর মূল প্রবন্ধ ও উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজেক্ট ডিরেক্টর সাহেদা বেগম।

জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপসচিব আমিরুল কায়সার, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ, সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস রঞ্জন শীল, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মোহাইমিনুল হক।

উম্মুক্ত আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন এলজিইডির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ (অব.) শেরগুল আহমেদ, দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের সম্পাদক পঙ্কজ কান্তি দে, সাংবাদিক খলিল রহমান, আনসার কমান্ডার মোরশেদা খানম, সাংবাদিক গিয়াস চৌধুরী,পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্হার সভাপতি কাশমির রেজা, টাঙ্গুয়ার হাওর পাড়ের কৃষক নুরুল আলমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, পরিবেশকর্মী, গবেষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

কর্মশালায় হিজল-করচসহ দেশীয় জলসহিষ্ণু বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বনায়ন জোরদার, হাওরে বর্জ্য ফেলা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন শিল্পের বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওর শুধু পর্যটনকেন্দ্র নয়, এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্যের আধার। তাই এর সম্পদ ব্যবহারে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, গবেষক ও পরিবেশকর্মীদের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। উন্নয়ন ও পর্যটনের পাশাপাশি হাওরের প্রতিবেশব্যবস্থা সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

কর্মশালায় টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য, জলজ সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষায় অংশীজনদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।