০২:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উদযাপন

আপনার এক ফোঁটা রক্ত বাঁচাতে পারে একটি অমূল্য প্রাণ, মৃত্যুর পরেও আলো ছড়াতে পারে মরণোত্তর চক্ষুদান—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে দিবসটি উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সুমন বনিক।
এ ছাড়া সিভিল সার্জন কার্যালয় ও জেলা সদর হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী রক্তদানকারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আলোচনা সভায় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ মানবিক কাজ। জরুরি মুহূর্তে একজন মানুষের দেওয়া রক্ত অন্য একজনের জীবন বাঁচাতে পারে। একইভাবে মরণোত্তর চক্ষুদানের মাধ্যমে মৃত্যুর পরও অন্যের জীবনে আলো ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব।
বক্তারা রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানের মতো মানবিক উদ্যোগে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবতার কল্যাণে এগিয়ে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
টেগ :
জনপ্রিয় পোস্ট

শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উদযাপন

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
আপনার এক ফোঁটা রক্ত বাঁচাতে পারে একটি অমূল্য প্রাণ, মৃত্যুর পরেও আলো ছড়াতে পারে মরণোত্তর চক্ষুদান—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে দিবসটি উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সুমন বনিক।
এ ছাড়া সিভিল সার্জন কার্যালয় ও জেলা সদর হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী রক্তদানকারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আলোচনা সভায় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ মানবিক কাজ। জরুরি মুহূর্তে একজন মানুষের দেওয়া রক্ত অন্য একজনের জীবন বাঁচাতে পারে। একইভাবে মরণোত্তর চক্ষুদানের মাধ্যমে মৃত্যুর পরও অন্যের জীবনে আলো ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব।
বক্তারা রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানের মতো মানবিক উদ্যোগে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবতার কল্যাণে এগিয়ে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।