নিজস্ব প্রতিবেদক ;
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের বাসিন্দা মৎস্য ব্যবসায়ী আব্দুল হাই(৫০) নামক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজেই দুকান থেকে রশি কিনে গ্রামের পাশের রাস্তার পিলারের সাথে স্বজনদের সহায়তায় হাতে দিয়েছেন বাঁধ।
শুক্রবার(১২ জানুয়ারি) সন্ধার পরে ( এশার নামাজের পর) সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের রহতমপুর গ্রামস্থ বড় ব্রীজের সরকারি রাস্তার দক্ষিণ পার্শ্বে এই ঘটনাটি ঘটে ।
শনিবার ( ১৩ জানুয়ারি) ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসী সহ পক্ষে-বিপক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় বিবদমান দু’পক্ষের মধ্যে পূর্ব থেকে গ্রামের মসজিদের জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে এই নিয়ে কোর্টে পাল্টা-পাল্টি মামলা চলছে। অভিযুক্ত আব্দুল হাই দাবি করেন গতকাল রাতে তিনি বাড়িতে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষ মামুন মিয়া(৪০),অনু মিয়া(২৪),মিজবাবুল হক(৫০) তাকে আটক করে হাতে-মুখে বেঁধে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে যান। এ নিয়ে তিনি সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অন্যদিকে এলাকার লোকজনের দাবি এটি পরিকল্পিত এবং প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্যই এমন নাটক তৈরি করা হয়েছে। বাঁধা অবস্থায় কে প্রথম দেখলো এমন প্রশ্নে রহমপুর গ্রামের আব্দুল হাই(৫০) জানান, তাঁর ভাতিজা সুজন মিয়া রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন।
হালুয়ারঘাট বাজার ব্যাবসায়ী বেলাবর হাটি গ্রামের বাসিন্দা শুকুর আলী জানান তার দুকান থেকে গতকাল (১২ জানুয়ারি) এশার নামাজের ( ৭ টার দিকে) তাঁর দুকান থেকে আব্দুল হাই নিজে ১০০ গ্রাম সাদা প্লাস্টিক রশি ২৫ টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছেন। আশেপাশের কয়েক জনের সাথে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পাওয়াগেছে এবং উদ্ধারকৃত রশির পরিমাপ করে দেখাগেছে সেটিও ১০০ গ্রামের সাদা রশি।
অনু মিয়া(২৪) জানান তিনি একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত এবং গ্রামে থাকেন না ঘটনার দিন অফিস বন্ধ থাকায় বাড়িতে ছিলেন। তাঁর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ইস্যুতে আব্দুল হাই গং রা জামেলা সৃষ্টি করার চেষ্টায় লিপ্ত। কেন এমটি করছে এমন প্রশ্নে অনু মিয়া জানান আল্লার ঘর মসজিদের জায়গা দখল করে আছে আব্দুল হাই গং রা যা গ্রামবাসী জানেন। মসজিদের জায়গা আত্মসাৎ করার জন্যই তারা এমন টি করছে।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদ চৌধুরী ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘ আমাকে ফোনে গতকাল একজন জানিয়েছেন। থানার ডিউটি অফিসার ঘটনা স্থলে গিয়েছেন এখনো সত্য-মিথ্যা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বাইট/দ্বিপাল /সুনাম২৪ইং
স্টাফ রিপোর্টার 



















