০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের প্রতিবাদে মানবন্ধন আসামিদের গ্রেপ্তার ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবি

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বাগুয়া গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ এবং আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর বাদী পক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার দুপুরে উপজেলার সাতগাঁও নতুনবাজার এলাকায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে শাহাবুল মিয়া, বাবলু মিয়া, সাব্বির আহমদ, আহত সানজিদা বেগমের বাবা জমির আলী, মো. জহুর আলী, মো. মুজিবুর রহমান, আব্দুল কাদির, শাহ আলম, একরুম মিয়া ও আনসার আলীসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাগুয়া গ্রামের অভিযুক্তদের বাড়িতে থাকা হাঁসের ফার্মে প্রবাসীর স্ত্রী সানজিদা বেগমের নয়টি পালিত হাঁস ঢুকে পড়ে।
পরে সানজিদা হাঁসগুলো নিতে গেলে অভিযুক্তরা হাঁস দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সানজিদা বেগমের ওপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।এ ঘটনায় সানজিদা বেগম গুরুতর আহত হন।
এ সময় তার সঙ্গে থাকা আট বছর বয়সী মেয়ে তাহমিদা আক্তারও আহত হয়। পরে স্থানীয়রা মা-মেয়েকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সানজিদার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয় বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
এ ঘটনায় সানজিদা বেগমের বাবা জমির আলী বিশ্বম্ভরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগটি আদালতে পাঠায় বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর থেকে আসামিপক্ষের লোকজন মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে বাদী পক্ষকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
পরবর্তীতে মো. মেহেদী, মো. তামিম, তাদের বাবা শামীম মিয়া, স্বপ্না বেগম, তার স্বামী শামীম মিয়া এবং শামীম মিয়া, পিতা কাঁচা মিয়াসহ অভিযুক্তরা আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর প্রকাশ্যে বাদী পক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন।
মানববন্ধন থেকে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার, বাদী ও তার পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান বক্তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
জনপ্রিয় পোস্ট

শান্তিগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের প্রতিবাদে মানবন্ধন আসামিদের গ্রেপ্তার ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবি

আপডেট সময় : ০৫:২৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বাগুয়া গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ এবং আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর বাদী পক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার দুপুরে উপজেলার সাতগাঁও নতুনবাজার এলাকায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে শাহাবুল মিয়া, বাবলু মিয়া, সাব্বির আহমদ, আহত সানজিদা বেগমের বাবা জমির আলী, মো. জহুর আলী, মো. মুজিবুর রহমান, আব্দুল কাদির, শাহ আলম, একরুম মিয়া ও আনসার আলীসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাগুয়া গ্রামের অভিযুক্তদের বাড়িতে থাকা হাঁসের ফার্মে প্রবাসীর স্ত্রী সানজিদা বেগমের নয়টি পালিত হাঁস ঢুকে পড়ে।
পরে সানজিদা হাঁসগুলো নিতে গেলে অভিযুক্তরা হাঁস দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সানজিদা বেগমের ওপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।এ ঘটনায় সানজিদা বেগম গুরুতর আহত হন।
এ সময় তার সঙ্গে থাকা আট বছর বয়সী মেয়ে তাহমিদা আক্তারও আহত হয়। পরে স্থানীয়রা মা-মেয়েকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সানজিদার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয় বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
এ ঘটনায় সানজিদা বেগমের বাবা জমির আলী বিশ্বম্ভরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগটি আদালতে পাঠায় বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর থেকে আসামিপক্ষের লোকজন মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে বাদী পক্ষকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
পরবর্তীতে মো. মেহেদী, মো. তামিম, তাদের বাবা শামীম মিয়া, স্বপ্না বেগম, তার স্বামী শামীম মিয়া এবং শামীম মিয়া, পিতা কাঁচা মিয়াসহ অভিযুক্তরা আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর প্রকাশ্যে বাদী পক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন।
মানববন্ধন থেকে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার, বাদী ও তার পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান বক্তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।