০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে টাইফয়েড এর টিকাদান কর্মসূচি

দেশব্যাপী চলছে শিশুদের টাইফয়েড প্রতিরোধী টিকাদান কার্যক্রম। ইতোমধ্যে এক কোটি ৭০ লাখেরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উপ-পরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ। বুধবার সিরডাপে অনুষ্ঠিত এক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

গত ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় চার কোটি ৯০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচিটি ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা) অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমান বলেন, “দেশে টাইফয়েড প্রতিরোধে এই টিকা অত্যন্ত জরুরি। এটি নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।” তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের টিকাদানে উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবু জাফর জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকাদান নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এসব মিথ্যা প্রচারণা প্রতিহত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সাইদুর রহমান বলেন, “কর্মসূচির বর্তমান অগ্রগতি দেখে আমরা লক্ষ্য অর্জন নিয়ে আশাবাদী।”

জনপ্রিয় পোস্ট

শাল্লায় ভুল তথ্যে সংবাদ প্রকাশে পুলিশের ক্ষোভ

১৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে টাইফয়েড এর টিকাদান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ১১:১২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

দেশব্যাপী চলছে শিশুদের টাইফয়েড প্রতিরোধী টিকাদান কার্যক্রম। ইতোমধ্যে এক কোটি ৭০ লাখেরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উপ-পরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ। বুধবার সিরডাপে অনুষ্ঠিত এক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

গত ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় চার কোটি ৯০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচিটি ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা) অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমান বলেন, “দেশে টাইফয়েড প্রতিরোধে এই টিকা অত্যন্ত জরুরি। এটি নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।” তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের টিকাদানে উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবু জাফর জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকাদান নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এসব মিথ্যা প্রচারণা প্রতিহত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সাইদুর রহমান বলেন, “কর্মসূচির বর্তমান অগ্রগতি দেখে আমরা লক্ষ্য অর্জন নিয়ে আশাবাদী।”